রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন নির্বাচন : অনুমোদনহীন সদস্য অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন রাজশাহী মেডিকেলে করোনা উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধিতে বিএফইউজের নয়া নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা দুর্গাপুরে শিক্ষক নিয়োগে তথ্য গোপন করে জালিয়াতির আশ্রয় নেয়ার অভিযোগ রাজশাহী বন বিভাগের অভিযানে ২০১টি পাখি উদ্ধার নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু ১০০ ছাড়িয়েছে সালমোনেলা সংক্রমণ : যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ অঙ্গরাজ্যে পিঁয়াজ ফেলে দেওয়ার পরামর্শ মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা লঙ্কানদের ভয়ের কারণ সাকিব-মুস্তাফিজ
মোহনপুরে মরিচ ২০০ টাকা কেজি

মোহনপুরে মরিচ ২০০ টাকা কেজি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীর মোহনপুরে হঠাৎ করে হাটবাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। অথচ এক সপ্তাহ আগেও উপজেলার হাট বাজারে অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে কাঁচা মরিচ। তবে পাইকারি বাজারে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে।

 

মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে খুচরা বাজারে ২শ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে। হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় হকচকিয়ে গেছেন ক্রেতারা।

কেশরহাটে ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, এক সপ্তাহ আগে তিনি ১৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনেছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মরিচের দাম ২শ টাকায় উঠে যাওয়ায় রীতিমতো বিস্মিত তিনি।

 

মোহনপুর উপজেলা সবচেয়ে বড় মরিচের পাইকারি বাজার বসে কেশরহাট ও বিদিরপুরে। ব্যবসায়ীরা জানান, এই দুই হাটের মরিচ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মোকামে যায়। পাইকারি বাজারে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে মরিচ কেনাবেচা হয়েছে।

 

মোহনপুর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মরিচচাষি আফসার উদ্দিন জানান, কোরবানির ঈদের পর ১৫-২০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করতে হয়েছে। তবে এখন ওই মরিচ পাইকারি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছেন তিনি। এই বর্ষায় তার কিছু গাছ নষ্ট হয়েছে। তবে এখন ভালো দাম পেলে ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে জানান তিনি।

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মনজুর হোসেন জানান, বর্ষার সময় মরিচের ডাইব্যাক রোগ হয়। এতে গাছ বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তখন মরিচের সরবরাহ কমে যায়, এ জন্য দামও বেড়ে যায়। প্রতিবছর এই সময় মরিচের দাম বেড়ে যায়। এই সঙ্কট মোকাবিলায় তিনি কাঁচামরিচ গুঁড়া করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। যেসময় মরিচের দাম কম হবে। তখন বেশি পরিমাণে মরিচ কিনে গুঁড়া তৈরির পরিকল্পনা আছে তার। এতে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। গুঁড়ার প্যাকেট বাজারে থাকলে হঠাৎ করে ব্যবসায়ীরাও মরিচের বাজারে আগুন লাগাতে পারবেন না।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com