বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

ষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণই সংবিধানের মূল লক্ষ্য : স্পিকার

ষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণই সংবিধানের মূল লক্ষ্য : স্পিকার

অল নিউজ ডেস্ক :

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান দীর্ঘ ২৪ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিফলন। শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ করাই ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূল লক্ষ্য। জনগণের মৌলিক অধিকার পূরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন সম্ভব।

 

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ৫০তম সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

 

স্পিকার বলেন, গণপরিষদের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, অনেক রক্তের বিনিময়ে আমাদের এ সংবিধান। শাসনতন্ত্র ব্যতীত কোনো দেশ পাল ও মাঝিবিহীন নৌকার সমান বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন। শাসনতন্ত্রে মানুষের অধিকার ও কর্তব্য সংবলিত থাকবে, যার প্রতিফলন আমরা তার ৪ নভেম্বর গণপরিষদে প্রদত্ত ভাষণে দেখতে পাই।

 

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানকে বঙ্গবন্ধু ‘জনগণের শাসনতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে রচিত হয়েছে বাহাত্তরের সংবিধানের ভীত ও চারটি মৌলিক স্তম্ভ।

 

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সমগ্র প্রেক্ষাপট পাল্টে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি তাদের নীলনকশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে এবং সংবিধানকে নানাভাবে ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ ও মানুষের আর্থসামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু যে সংগ্রাম করেছেন, তার ভিত্তিতে রচিত ১৯৭২ সালের সংবিধানের লক্ষ্য অর্জনে সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টা জরুরি।

 

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও আরমা দত্ত বক্তব্য রাখেন।

 

অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ব্যরিস্টার তুরিন আফরোজ, রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com