বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে ওয়ার্কার্স পাটির মানববন্ধন

উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে ওয়ার্কার্স পাটির মানববন্ধন

মো: সেলিম হোসেন, রাজশাহী ব্যুরো :

সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী দিবস উপলক্ষে ‘উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ ¯েøাগানে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর কমিটি এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

 

আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় রাজশাহী মহাগরীর জিরো পয়েন্টে মানবন্ধনের আয়োজন করে রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পাটি। মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগরের সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু।

 

মহানগর সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য নাজমুল করিম অপুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন মানববন্ধনে মহানগর সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. এন্তাজুল হক বাবু, আব্দুল মতিনসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই। গত ২ নভেম্বর দেশে সংবিধান দিবস পালন করা হয়েছে। এই সংবিধান যখন প্রণনয়ন করা হয় তখন বলা হয়েছিল- চার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গর্ব করে বলেছিলেন, ‘এই সংবিধান বিশ্বে আলোচিত সংবিধান।’ আমরাও তাই বিশ্বাস করি।

কিন্তু দু:খের বিষয়, সেই চার মূলনীতিতে আমরা আর নেই। সামরিক জান্তারা বারবার এই সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে এদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ক্ষমতায় থেকেও আমরা কাটাছেঁড়া সংবিধানেই থাকবো নাকি বঙ্গবন্ধুর বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাবো- সেই প্রশ্ন করার সময় এসেছে।

 

মানববন্ধনে ১৪ দলীয় জোটের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ২৩ দফার ভিত্তিতে ১৪ দল গঠন করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপট আজও পাল্টেনি। ১৪ দলের প্রাসঙ্গিকতা এখনো আছে। কষ্টের বিষয় হচ্ছে- সরকার এখন আর সেই জায়গায় নেই। সেদিন ১৪ দল মাঠে লড়াই না করলে আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যেতে পারতো না। ২০০৬ সালে আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা জীবন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় এনেছে।

 

ডিজেল-কেরোসিনসহ দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, অদক্ষদের দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার কারণেই আজকে দ্রবমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণহীন। এসব নিয়ন্ত্রণের জন্য যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তারা যোগ্যতাহীন। বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য যেভাবে বাড়ানো হয়েছে, এমনটা জাতির জনকের স্বপ্ন ছিল না। আমরা শোষণমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। আমরা দ্রুত বর্তমান সমস্যা সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com