মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হরিমোহন স্কলে পদোন্নতিপ্রাপ্তদ শিক্ষকদের সংবর্ধনা ওমিক্রন ঠেকাতে শিবগঞ্জে মাস্ক বিতরণ শিবগঞ্জে বীরমুক্তিযোদ্ধা সনু লাঞ্ছিতের ঘটনায় তদন্ত শুরু শিবগঞ্জে বিভিন্ন ভাতা ভোগীদের আয় বৃদ্ধিমূলক ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগল ও দেশি মুরগি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সিভিল সার্ভিসে ১০বছর পদার্পণ, শিবগঞ্জ অফিসার্স ক্লাবের শুভেচ্ছা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ সিলেট সানরাইজার্সে খেলবেন সিমন্স নিউজিল্যান্ড মিশন শেষে দেশে ফিরলেন মুমিনুলরা শিবগঞ্জে সাদ্য যোগদানকৃত ডিসি’র গুচ্ছগ্রাম পরিদর্শন ও কম্বল বিতরণ নবীগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যােগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারি খাস জমি উদ্ধার
রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নেবে না বিএনপি

রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নেবে না বিএনপি

অল নিউজ ডেস্ক :
আমন্ত্রণ পেলেও নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপে যোগ দেবে না বিএনপি। দলের নেতারা বলছেন, আলোচনায় কোনো ফল হবে না তারা বিশ্বাস করেন বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গতকাল বুধবার মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিএনপি বিশ্বাস করে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার ব্যতিরেকে সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কোনো নির্বাচন কমিশনই করতে পারবে না। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেছেন, তার কোনো ক্ষমতা নেই পরিবর্তন করার। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ কোনো ইতিবাচক ফলাফল আনতে পারবে না। বিএনপি অর্থহীন কোনো সংলাপে অংশগ্রহণ করবে না।’

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, ‘নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিবন্ধিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিএনপি মনে করে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন

নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং নিরপেক্ষ প্রশাসনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যতীত নির্বাচন কমিশনের গঠন নিয়ে সংলাপ শুধু সময়ের অপচয়।’

 

‘বিগত দুটি নির্বাচন কমিশন গঠনের পূর্বে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নিয়ে তাদের মতামত দিয়েছিল। বিএনপি নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সুস্পষ্ট প্রস্তাব লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করেছিল। কিন্তু সব উদ্যোগই ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচনকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা উল্লেখ করা হয়।

 

বিএনপির অভিযোগ, ‘রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেআইনি ব্যবহার, নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার কারণে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের দলীয় সংগঠনে পরিণত হয়েছে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পরপর দুটো নির্বাচন কমিশনই চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলীয় সরকার বহাল রেখে নির্বাচন কমিশন কখনোই স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারবে না।’

 

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবারের ওই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

 

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি গত ২০ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন। এ পর্যন্ত ১৪টি দলকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত মোট ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বর্তমান সংসদে মাত্র ৯টি দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়াারি বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষ হবে। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন ইসি গঠন করতে হবে।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com