শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

‘রাজার’ দাম ১২ লাখ

‘রাজার’ দাম ১২ লাখ

নিউজ ডেস্ক :
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। প্রতিবছর সারা দেশে কোরবানি উপলক্ষে ওজন ও দামে আলোচনায় থাকে চমকপ্রদ নামের অনেক পশু। মুক্তাগাছাতেও সেই রকম আলোচনায় আছে রাজা।

বিশাল আকৃতির এই গরুর দৈর্ঘ্য ৮ ফুট ও প্রস্থ সাড়ে ৫ ফুট আর ওজনে সাড়ে ২৫ মণ। গরুর মালিক পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্সে কর্মরত নিলুফার ইয়াসমিন এর দাম হাঁকিয়েছেন ১২ লাখ টাকা।

জার্সি জাতের এ ষাঁড়টি চার বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন মুক্তাগাছা মনতলার বানিয়াবাজার গ্রামের বাসিন্দা নিলুফা।

তিনি বলেন, আমার একটা দেশি গাভি ছিল। সেই গাভির বাচ্চা হচ্ছে রাজা। গরুটি উত্তেজিত স্বভাবের হওয়ায় নাম রাখা হয়েছে রাজা। এছাড়া কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে আরও দুইটি ষাঁড়। তবে সবটির মধ্যে আকর্ষণীয় হচ্ছে রাজা।

তিনি আরও বলেন, এক হাজার কেজি ওজনের রাজার দাম চাচ্ছি ১২ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে কিছু কম বা বেশি হতে পারে। এবার ঈদে যদি বাইরে থেকে গরু না আসে, তাহলে হয়তো আমরা আমাদের প্রকৃত মূল্য পাব।

রাজার দেখভালের দায়িত্বে থাকা নিলুফার ইয়াসমিন জানান, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়মে গরুটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতিদিন নিয়ম করে ধান, গম, ভুট্টা, ঘাস, খুদের জাউ, খৈল, খড় ইত্যাদি খাওয়ানো হয়। এছাড়া গরুটিকে প্রতিদিন একবার রোদে আনা হয় ও তারপর গোসল করানো হয়।

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে ষাঁড়টি লালন-পালন করে আসছি। ঈদে বিক্রি হয়ে যাবে, এটা ভাবতেই খারাপ লাগছে। তবুও আশা করি ষাঁড়ের ন্যায্য দাম পাব। দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর যুগান্তরকে বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় খামারি ও কৃষক পর্যায়ে কোরবানির জন্য ৫ লাখ ৫৮ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে; যা চাহিদার তুলনায় প্রায় দুই লাখ বেশি। এবারো ক্রেতাদের চাহিদা ও সুবিধার কথা চিন্তা করে হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু কেনাবেচার ব্যবস্থা রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, হাটগুলোতে থাকবে প্রাণিসম্পদের মেডিকেল টিম। বাইরে থেকে দেশে গরু আসবে না। তাই আশা করি খামারিরা ন্যায্য দামই পাবেন।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com