মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
করোনার প্রভাব কামার পল্লীতে নেই ঈদের আমেজ

করোনার প্রভাব কামার পল্লীতে নেই ঈদের আমেজ

মো: সেলিম হোসেন, রাজশাহী ব্যুরো : 

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। আর মাত্র ছয়দিন পরই মুসলিম ধর্মালম্বীদের বড় এই ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হবে। এই ঈদ উপলক্ষে হাটে গিয়ে পছন্দমতো কোরবানির পশু কিনতে যাচ্ছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। গরু ব্যাবসায়ীরা বলচ্ছেন বন্যার করণে বিভন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্রেতারা আসছে না। এছাড়াও করোনায় এলাকায় সব প্রকার ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে। হাটে গরু আছে কিন্ত ক্রেতা নেই। এ সময় কোরবানি দেওয়ার উপকরণ তৈরিতে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কামাররা।

কাঠ পোড়ানো কয়লার দগদগে আগুনে দা, বটি, ছুরি আর চাপাতির ওপর টুং টাং শব্দে মুখর রাজশাহী নগরীর উপকন্ঠে মথুর ডাঙ্গা। প্রতিবছরের মতো এবারো চলছে দা, বটি, ছুরি ও চাপাতি তৈরির কাজ চলছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যাস্ত কামারা।

করোনার প্রভাবে মানুষের মাঝে কোরবানি দেয়ার উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। আর এতে প্রভাব পড়ছে স্থানীয় কামারদের মাঝে।

প্রতি বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানী ঈদে তাদের আয় রোজগার বেশি হওয়ার কথা থাকলেও তা নেই এবার। তবে রাজশাহীর সাল বাগান, নওদাপাড়া, নওহাটা হাট কাটা খালি বাজার মিলে প্রায় ২০ টির মতো কামার দোকান আছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাজশাহীর নগরীর মথর ডাঙ্গায় মোড় কর্মকারকে ব্যাস্ত সময় পার করতে ।

রাজশাহী নগরীর ১৬ নং ওয়ার্ডের মথুুর ডাঙ্গা এলাকার পলাশ কর্মকার বলেন, করোনা ও বন্যার কারণে এবার গত ঈদের চেয়ে অনেক  কাজ কম। নেই ঈদের আমেজ । নেই মানুষের মধ্যে আনান্দ।

তিনি আরো বলেন, আমার কোরবানী ঈদে জন্য চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করি। সারা  বছর যা আমাদের কাাজ হয়। তার কমবেশি সমপরিমাণ কোরবানী ঈদে আয় হয়।  আমরা  অভাবি মানুষ কিছ ধারদেনা লোনকিস্তি আছে ভেবেছিলাম কুরবানি ঈদে কাজ করে পরিষধ করে দিবে, তা আর হলেনা। সকাল থেকে অনেকটা বসে পার করতে হোচ্ছে গত বছর সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত একিরকম কাজ খাবার সময় পেতাম না।  এবছর একি বাড়ে কামারদের কাজ নেই।  এ ভাবে চলতে থাকলে পূর্বপুরুষদের এই পেশা ধরে রাখা দুষ্কর হবে বলে ও জানান তারা।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com