বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

হোমিওপ্যাথি রক্ষায় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডে ৭দফা সংস্কার এবং জবাবদিহিতা দরকার!

হোমিওপ্যাথি রক্ষায় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডে ৭দফা সংস্কার এবং জবাবদিহিতা দরকার!

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু), বগুড়া, রাজশাহী :

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর হাত দিয়ে আইনের মাধ্যমে ১৯৭২খ্রি. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয় ও চালু হয় চার বছর ছয় মাস মেয়াদি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্স। বর্তমানে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধিনে প্রায় ৬৪টি সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে ডিএইচএমএস কোর্স রয়েছে।

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান নির্ধারণ না থাকায় বা কোন সমমান না করায় বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তান মত কোন উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই, বাংলাদেশে সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই, কাউন্সিল নেই, সামাজিক মর্যাদা নেই সহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন।
১৯৯১খ্রি. বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড তার বোর্ড মিটিংয়ে ডিএইচএমএস কোর্সকে স্নাতক (পাস) মান প্রদানে সিদ্ধান্ত নেয় (রেজুলেশন করে), তা অবগত ও বাস্তবায়নের জন্য তৎকালীন বোর্ড চেয়ারম্যান ১৯৯২খ্রি. সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পত্র প্রেরণ করলে, সিনিয়র সহকারী সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, রেজিষ্ট্রার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ক পত্র প্রেরণ করলে, উপ-রেজিষ্ট্রার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড চেয়ারম্যানের নিকট ডিএইচএমএস কোর্সের সিলেবাস চেয়ে পত্র প্রেরণ করলেও কয়েকদশক যাবত কোর্সের সমমান সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ও কার্যকর হয়নি এবং ফাইলটি চাপা পড়ে আছে। এ তথ্যটিও বোর্ড গোপন করেছিল। তা মে’২০১৮খ্রি. ডিএইচএমএস’দের সামাজিক আন্দোলনের সময় গোপন নথি গুলো যা বোর্ড গোপন করে রেখেছিল, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ও হোমিওপ্যাথগণ এবং দেশবাসী জানতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের হোমিওপ্যাথগণ নতুন বোর্ড চেয়ারম্যান নিয়োগ চায়? বোর্ড চেয়ারম্যান পরিবর্তন করে কি বা নতুন চেয়ারম্যন নিয়োগ দিলে কি কাজ হবে? বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে চালাতে সমস্ত পদ্ধতি পরিবর্তন ও সংস্কার ও জবাবদিহিতা দরকার তা নিম্নরুপ :

১। বাংলাদেশের সকল ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথরা সৎ ও যোগ্য এবং দলীয় বা রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি বিহীন/চাটুকারিতা বিহীন সর্বজন শ্রদ্ধেয়/দক্ষ হোমিওপ্যাথ দাবি/অধিকার নিয়ে শুধু অতীত ইতিহাস নয় বর্তমানেও সোচ্চার এবং হোমিওপ্যাথদের দাবি/অধিকার বাস্তবায়ন করবেন এমন বোর্ড চেয়ারম্যান সরকার হতে নিয়োগ চায় এবং একজন চেয়ারম্যান একবারের বেশি বোর্ডে নিয়োগ নয়। (নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে)।
সেসঙ্গে বোর্ড চেয়ারম্যান ও বোর্ড সদস্য মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সন্মানজনক বিদায় জানানো।

২। সকল “বোর্ড সদস্য” দেশের বিভাগ পর্যায়ে সকল কলেজ গুলোর শিক্ষকদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সেখানে অনেক সদস্য চেয়ারম্যান ও রেজিষ্ট্রার মনোনীত এবং সমর্থিত/তারা এ সদস্যকে বোর্ডে দেখতে চান প্রচার করে ভোটে প্রভাব বিস্তার করেন। ফলে বার বার একই ব্যক্তি বোর্ড সদস্য হয়ে আসছেন। তা যদি সত্য হয়ে থাকে এ হস্তক্ষেপ দ্রুত বন্ধ করা।

৩। “সরকার মনোনীত বোর্ড সদস্য” দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে সকল ডিএইচএমএস পাস রেজিষ্ট্রার চিকিৎসকদের ভোটে নির্বাচিত হবার বিধান থাকলেও কোন ভোট হয়না। দীর্ঘ অনেক বছর যাবত চেয়ারম্যান এর মনমতো লোক চেয়ারম্যান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মনোনীত সদস্যের তালিকা জমা দিয়ে অনুমোদন করে নিয়ে আসে। অনেক সময় মনোনীত হতে মনোনীত সদস্যরা অনেক টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয় করে থাকে শুনা যায়। যদি তা হয়ে থাকে সেটা সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিরিখে দ্রুত বন্ধ করা।

৪। বোর্ডে নিয়মিত সকল পর্যায়ে শুদ্ধাচার চালানো দরকার। দুনীতি করে থাকলে দ্রুত বন্ধ করা।
স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার নিরিখে চেয়ারম্যান, রেজিষ্ট্রার, সহকারী রেজিষ্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সেকশন অফিসার সহ বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সকল বোর্ড সদস্যদের নিজেদের ও পরিবারের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব বোর্ডের ওয়েবসাইডে প্রকাশ করা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এবং দুদক কে জমা দেওয়া দরকার।

৫। বোর্ডের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী যাদের অতীত ও বর্তমানে দুনীতি প্রমাণ/নথি পাওয়া যাবে তাদেরকে অফিসিয়ালভাবে জবাব চেয়ে জবাব সন্তোষজনক না হলে তারপর স্বসন্মানে পদ হতে অব্যহতি নিতে সময় বেঁধে নিয়ে পদত্যাগে আহবান জানানো। তাদেরকে বুঝানো তা না হলে সে ব্যক্তির নিজের বিপদ। বরখাস্ত হবেন, ঝামেলা হবে, এককালীন টাকা পাবেনা, পেনশন পাবেনা, সামাজিক মর্যাদা হারাবেন, পরিবার-পরিজন অপছন্দ করবেন।

৬। বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সুনিদিষ্ট দুনীতি প্রমাণ পেলে সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অফিসিয়ালভাবে নথিসহ অবগত করা, দুনীতি ও অনিয়মের মাপকাঠি বিচার-বিশ্লেষণ করে সরকারের অন্য বিভাগ/দপ্তরে বদলী, ওএসডি করা, বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান, বরখাস্ত করা।

৭। রাজনৈতিক কারণ না দেখে নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠায় সচ্ছতা ও নিয়োগে অনিয়ম/নিয়োগ বাণিজ্য এড়িয়ে চলা। পুরাতন কলেজ গুলোর ভৌত অবকাঠামো উন্নত করা, পর্যায়ক্রমে কলেজ গুলো সরকারি করা। কোন আর্থিক অনিয়ম থাকলে তদন্ত করা ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। মাঠ পর্যায়ের চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী সমস্যা নিয়ে বোর্ডে গেলে হয়রানি না হয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা।

পরিশেষ :
———–
বাংলাদেশে চারদশক যাবত ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের সমমান নেই, উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা নেই ফলে শিক্ষার্থীরা অন্য বিষয়ে জেনারেল শিক্ষায় পড়ছে ও অন্য পেশায় ঝুঁকছে?
একটি সূত্রে জানায় দেশের স্বনামধন্য প্রায় ডিএইচএমএস কোর্সের হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ গুলোতে মাত্র কয়েকজন করে শিক্ষার্থী এবার ভর্তি হয়েছে। যেখানে সে কলেজ গুলোতে শত শত শিক্ষার্থী ভর্তি ও মোটা অংকের উন্নয়ন ফির নামে অর্থ আয় হওয়ার ঐতিহ্য ছিল অতীতে! মানুষ এখন জানতে শিখেছে ও ভাল-মন্দ বুঝতে শিখেছে। সময় সব সময় এক রকম যায়না? সময় ও দিন পাল্টিয়েছে/পরিবর্তন হয়েছে। স্বাধীনতার চারদশকে শোষিত ও বঞ্চিত ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান নেই ও কোর্সের উচ্চশিক্ষা সুযোগ নেই, হোমিওপ্যাথি কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা হয়নি, সরকারি কোন কর্মসংস্থান নেই, সামাজিক কোন মর্যাদা নেই, শিক্ষা অর্জনে কোর্সে অতিরিক্ত অর্থ আদায়/উন্নয়ন ফি আদায়, কলেজের অশিক্ষক সুলভ আচরণ, বোর্ড/বোর্ড সদস্যদের প্রভুত্ব সুলভ আচরণ ও ২০১৩খ্রি. হতে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন (প্রস্তাবিত) পাস না হবার প্রভাব পড়েছে ডিএইচএমএস কোর্সের কলেজ ও ভর্তি এবং শিক্ষার্থী সংকট/কলেজ গুলোর আর্থিক সংকট!

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২খ্রি. স্বাধীন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সটি চালু করেন। আমলাতন্ত্র ও বোর্ডের অযোগ্যতা-ব্যর্থতার কারণে স্বাধীনতার চারদশক অতিক্রম করলেও শোষিত-বঞ্চিত ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান বাংলাদেশে হয়নি। সমমান না থাকায় বাংলাদেশের ডিএইচএমএস কোর্স করে কোন উচ্চশিক্ষার (কনডেন্সড/ব্রীজ/গ্রেডেড ডিগ্রি কোর্স) কোন সুযোগ নেই এবং সরকারী কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। পাকিস্তানে ডিএইচএমএস ১ম ও ২য় বর্ষ উচ্চমাধ্যমিক এবং ৩য় ও ৪র্থ বর্ষ করার পর বিএস-সি (পাস) ডিগ্রি সমমান। পাকিস্তানে ডিএইচএমএস পাসকৃতরা সরাসরি বিএইচএমএস ২ বছর মেয়াদি কোর্সে (গ্রেডেড কোর্স/কনডেন্সড কোর্স/ব্রীজরকোর্স) ভর্তি হয়ে কোর্স করে, তারপর এমডি করতে পারে। ভারতে ডিএইচএমএস পাসকৃত সকলকে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ কোর্স) মাধ্যমে বিএইচএমএস ২ বছর মেয়াদি কোর্সে ভর্তি ও ৬ মাস মেয়াদি ইন্টার্নশীপ করে সকলকে বিএইচএমএস পাস ডিগ্রি। বিএইচএমএস পাস করার পর এমডি/পিএইচ-ডি করতে পারে। বাংলাদেশে ডিএইচএমএস কোর্সের কোন সমমান ও উচ্চশিক্ষার, সরকারী কর্মসংস্থান ব্যবস্থা নেই!

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে ডিএইচএমএস কোর্স ৪ বছর ৬ মাস মেয়াদি হলেও সঠিক সময় পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ হয়না, তারপর ইন্টার্নশীপ, রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র…এগুলো করতে একজনের ন্যুনতম ৬ বছর বা সাড়ে ৬ বছর লাগে। শিক্ষা খরচ বৃদ্ধি।

বাংলাদেশে ১৯৭২খ্রি. হতে অন্যান্য ডিপ্লোমা ২/৩ বছর মেয়াদি ছিল। সেগুলো মধ্যে বর্তমানে ২ বছর মেয়াদি কোর্স গুলো উচ্চমাধ্যমিক সমমান মান। আর যেগুলো ডিপ্লোমা ৩/৪ বছর মেয়াদি সে গুলোকে প্রথম ২ বছর উচ্চমাধ্যমিক সমমান ও পরবর্তী বছর গুলোকে উচ্চমাধ্যমিক সমমান এর উর্দ্ধে মান দিয়েছে। বিশ্বের সব রাষ্ট্রে উচ্চমাধ্যমিক সমমান এর উর্দ্ধে মান প্রাপ্তরা পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা অর্জনে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। তাহলো তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে উচ্চশিক্ষা কোর্সে তাদের ২/৩ বছর কম সময় লাগে ও উচ্চশিক্ষা ডিগ্রি অর্জন করতে পারে এবং তাদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে বয়সের কোন বাঁধা নেই। সে সকল ডিপ্লোমাদের শিক্ষা খরচ সীমিত ও সে সকল ডিপ্লোমা কোর্সের সমমানও রয়েছে এবং সকল দেশেই সে সকল ডিপ্লোমা পাসকৃতদের সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আছে।

ভারতে সকল ডিএইচএমএস’রা বিএইচএমএস করতে পারলেও বাংলাদেশে কেন নয়? কয়েক দশকে দেশে কি ভারতের চেয়ে বেশি মেধাবীরা হোমিওপ্যাথিতে এসেছে? হোমিওপ্যাথি সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে? রাজনৈতিক জাতাঁকলে সাধারণ ডিএইচএমএস’রা!

বিশ্বব্যাপি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের/ডিপ্লোমা পাসদের উচ্চশিক্ষা অর্জন তাদের সংবিধানিক অধিকার ও বয়সের কোন বাঁধা নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ফার্মেসী বিভাগ এর অধীনে পরিচালিত ডিএইচএমএস পাসকৃতদের বয়স নির্ধারণ করে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড) কোর্সে বছরে অল্প সংখ্যক প্রায় এক থেকে দুই শতাধিক ভর্তির সুযোগ থাকলেও ২০১৩খ্রি. হতে অদৃশ্য চক্রান্তে তাও বন্ধ। জানা যায় কে বা কারা গোপন পত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দিয়ে গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড) কোর্সটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে কারা জড়িত তা জাতি ও হোমিওপ্যাথরা সত্য জানতে চায়? এ চক্রান্তে যারা জড়িত ইতিহাস তাদের কখনও ক্ষমা করবেনা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে গতিশীল করতে দ্রুত যথাযথ পরিবর্তন ও সংস্কার এবং জবাবদিহিতা আনা দরকার। ২০১৩খ্রি. হতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পড়ে থাকা “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন (প্রস্তাবিত)” এবং “স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন (প্রস্তাবিত)” যথাযথভাবে ডিএইচএমএস কৃতদের অধিকার বজায় রেখে প্রণয়ন এবং জাতীয় সংসদে পাস করা দরকার। আইনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা ও ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান নির্ধারণ করে ডিএইচএমএস পাসকৃতদের উচ্চশিক্ষার জন্য গ্রেডেড ডিগ্রি (কনডেন্সড/ব্রীজ) কোর্স অন্তর্ভুক্ত সহ একাধিক কলেজে চালু করা, সরকারীভাবে হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশের সকল সরকারী উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে ডিএইচএমএস পাসকৃতদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা উল্লেখ করা ও বাস্তবায়ন হলে সমস্যা গুলো এড়ানো/উন্নয়ন সম্ভব। তা হবে কি?

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয় ও বোর্ড বেতন-ভাতা পায় তা মেনে বোর্ড সব সময় জনবান্ধন হওয়া দরকার।

হোমিওপ্যাথির সার্বিক রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ বিষয়ে দ্রুত সরাসরি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com