বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

রুয়েটে চাকুরী নিতে লাগে প্রকৌশলী হারুনের আর্শীবাদ,পরে হয় দেনদরবার

রুয়েটে চাকুরী নিতে লাগে প্রকৌশলী হারুনের আর্শীবাদ,পরে হয় দেনদরবার

নিউজ ডেস্ক : হারুন হচ্ছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রুয়েটের একজন অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা

সে ছিলো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন রুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক আহŸায়ক মূলত ছাত্র শিবিরের রাজনীতির মাধ্যমে হারুনের ছাত্র রাজনীতির শুরু হলে ও সময় এবং সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে হারুনের রাজনীতির ও পরিবর্তন হয় বর্তমানে হারুনের বড় পরিচয় হলো সে একজন রুয়েট প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তি হারুনের আর্শীবাদ না পেলে কারও চাকুরী হয়না রুয়েটে আর এই আর্শীবাদ নিতে প্রকৌশলী হারুনূর রশিদের সাথে করতে হয় বড় ধরনের দেনবার ।

 

গতকাল রবিবার ৩০ শে মে প্রায় দুই শতাধিক লোককে রুয়েট রেজিস্টার জনাব সেলিম হোসাইন ফোন করে আগামী পহেলা জুন মঙ্গলবার চাকুরীতে যোগদান করতে বলেন আর এই চাকুরী পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগ লোকই হচ্ছে প্রকৌশলী হারুনে আর্শীবাদ পুষ্ট দেনদরবার লোক বলে বিভিন্ন সূত্র মতে জানা যায় ।
প্রকৌশলী হারুনূর রশিদ সম্পর্কে রুয়েটের একাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারীদের সাথে কথা বললে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের বলেন যে বর্তমান রুয়েট প্রশাসন পূরাটাই নিয়ন্ত্রন করেন হারুন তারা আমাদের আরো জানান যে হারুনের বিরুদ্ধে রুয়েটে কর্মরত কারও মুখ খোলার সাহস নেই কারন মুখ খূললে পড়তে হয় বিপদে পেতে হয় রুয়েট প্রশাসনের শোকজ, ভয় থাকে চাকুরী হারানোর ।

 

বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা যায় যে হারুন থাকে রুয়েটের টিচার্স কুয়াটারে সবচাইতে আধুনিক মানের কুয়াটারটি হচ্ছে প্রকৌশলী হারুনের তার পরিবারের সকলে চাকুরী করেন রুয়েটে তার স্ত্রীও রুয়েটের একজন শিক্ষক হারুনের ছোট ভাই রুয়েটের একজন কর্মকর্তা রুয়েটের অফিসার্স ও কর্মচারী সমিতিটি পূরাটাই নিয়ন্ত্রন করেন হারুন ।

 

রুয়েটের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আফগ্রেশনের মাধ্যমে প্রমেশন পেতে হলেও করতে হয় তার সাথে দেনদরবার রুয়েটে হারুনের মাদক সংশ্লিষ্টটার বিষয়ে একাধিক বার গনমাধ্যমে খবর প্রচার হলেও কোন কিছুকে তোয়াক্কা করেনা প্রকৌশলী হারুন,

 

রুয়েটের কর্মরত বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে জানা যায় যে হারুনের বাড়ির নিচফ্লাটে রয়েছে তার নিজস্ব টরর্চারশেল টরর্চার সেলটি মূলত চার কামড়া বিশিষ্ট রুয়েট এবং হারুন প্রশাসনের বাইরে কোন কাজ করলে তার নিজস্ব টরর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে করা হয় নির্যাতন তাদের কু কর্মের বিরুদ্ধে কথা বলাতে দুই একজন অফিসারকে করা হয়েছে শোকজ, হয়েছে কারও চাকুরীও সাসপেন্ড ।

 

হারুনের এই সকল  ‍কু’কর্ম সম্পর্কে জানতে মুঠোফোনে প্রকৌশলী হারুনূর রশিদের সাথে যোগা যোগ করা হলে ও সে ফোন রিসিভ করেননি বিভিন্ন সূত্র মতে জানা যায় যে হারুন তার নিজস্ব লোক ছাড়া কারও ফোন রিসিভ করেননা ।

 

প্রকৌশলী হারুনূর রশিদের এতো কু কর্মের পরেও কেনো রুয়েট প্রশাসন নিশ্চুপ থাকে এই সকল বিষয় জানার জন্য রুয়েট রেজিস্টার জনাব সেলিম হোসাইনের সাথে কথা বলা হলে তিনি গনমাধ্যম ব্যক্তির উপর চড়াও হোন এবং তিনি বলেন যে আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন সংবাদকর্মীর সাথে কথা বলা নিষেধ আছেন তিনি আরো বলেন যে এই কারনে আমরা কারও ফোন রিসিভ করিনা ।

রুয়েটের একাধিক শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়যে বর্তমানে হারুনের অবৈধভাবে রুয়েট থেকে উপার্জিত করা টাকার রয়েছে দেশ বিদেশে ফ্লাট সহ পদ্মা আবাসিকে প্লট নামে বেনামে রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা ।

প্রকৌশলী হারুনের অবৈধ নিয়োগের খবর যুগান্তর পত্রিকার সূত্র মারফত তুলে ধরা হলো 

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অনিয়মের মাধ্যমে সহকারী প্রকৌশলী পদে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হারুন অর রশিদ নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

নিয়োগ কমিটি গঠনের আগেই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত বছর অক্টোবরে রুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক হারুন অর রশিদকে এই নিয়োগ দেয়া হয়।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, হারুনকে নিয়োগ দেয়া নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। তারা বলেন, অনুমোদনবিহীন কমিটি কখনও কাউকে নিয়োগ দিতে পারে না। এ নিয়োগ কখনও বৈধ বলেও বিবেচিত হতে পারে না। রুয়েটের বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বোর্ড গঠনের পর সিন্ডিকেটে সেটি অনুমোদন করা হয়। কিন্তু নিয়োগ বোর্ড অনুমোদন হওয়ার আগেই হারুনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ নিয়োগের নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত বছর ২৭ আগস্ট রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকসহ সহকারী প্রকৌশলী (যন্ত্র) পদে নিয়োগের জন্য জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রবিউল আউয়াল, রাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শহীদুর রহমান ও হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আফজাল হোসেনকে নিয়োগ কমিটির সদস্য করা হয়।

 

একই বছরের ১১ অক্টোবর কমিটির সদস্যদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ১৩ অক্টোবর রুয়েটের ভিসির দফতরে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সেলিম হোসেনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, রুয়েটের সহকারী প্রকৌশলী (যন্ত্র) পদে নিয়োগের বোর্ড হবে। রুয়েট কর্তৃপক্ষ আকস্মিকভাবে এ নিয়োগ বোর্ড গঠন করলেও বিধি মোতাবেক তা একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন নেয়া হয়নি। অনুমোদনবিহীন নিয়োগ কমিটির সদস্যরা ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর রুয়েটের ভিসির দফতরে উপস্থিত হয়ে সহকারী প্রকৌশলী পদের নিয়োগ সম্পন্ন করেন। ছাত্রলীগ নেতা হারুনকে নিয়োগ দিতে ওইদিনই সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়।

 

নিয়োগ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ পদের জন্য ১২ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অনুমোদনহীন নিয়োগ কমিটি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে পরদিন ১৪ অক্টোবর সিন্ডিকেটের ৮৩তম সভার সূত্র উল্লেখ করে নিয়োগ কমিটির অনুমোদন দেখায় রুয়েট কর্তৃপক্ষ। বোর্ড বসিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলেও নিয়োগ কমিটির সদস্যদের আবার চিঠি দেয়া হয়। রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর চিঠি দিয়ে অধ্যাপক শহীদুর রহমান ও অধ্যাপক আফজাল হোসেনকে নিয়োগ কমিটির সদস্য করা সম্পর্কে অবহিত করেন। এর আগে নিয়োগ কমিটির আরেক সদস্য রবিউল আউয়ালকে চিঠি দেয়া হয়।

 

নিয়োগপ্রাপ্ত হারুন অর রশিদ জানান, তার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। যোগ্য প্রার্থী হিসেবেই তিনি নিয়োগ পেয়েছেন। কমিটির অন্যতম সদস্য ও রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক রবিউল আউয়াল জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই বলতে পারবেন না। তবে রুয়েটের রেজিস্ট্রার দফতর ভালো জানে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেন বলেন, হারুনের নিয়োগ নিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাই না। অফিসে এলে দাফতরিক কাগজপত্র দেখানো হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না এবং নিয়োগ বোর্ড অবৈধ ছিল কি না- এমন প্রশ্ন করতেই তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com