শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে ১৩ ফুটের দুটি গাঁজা গাছসহ কবিরাজ গ্রেপ্তার এনআইডি না থাকলেও বিশেষ প্রক্রিয়ায় করা যাবে  টিকার নিবন্ধন দেশে টিকা নিলো ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৮৩৪ জন মানুষ রাজশাহী-চাঁপাইয়ে আবারও বেড়েছে সংক্রমণ হাতীবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধর ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ পাট চাষে কৃষকের মুখে হাসি নওগাঁয় অস্ত্র-গুলিসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নওগাঁয় চুরির অপবাদে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় শিশুকে নির্যাতন জামিল ব্রিগেডের কার্যক্রম রাজশাহী শহর পেরিয়ে এবার গ্রামে চিকিৎসা, শিক্ষা, অবকাঠামো, মান উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জন্য ১২ দফা প্রস্তাব
টাকা দিলেই অসুস্থ গরু জবাইয়ের সীল-সার্টিফিকেট মিলে

টাকা দিলেই অসুস্থ গরু জবাইয়ের সীল-সার্টিফিকেট মিলে

নিউজ ডেস্ক :
সিংগাইর পৌর এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও বাসষ্ট্যান্ডে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টাকা দিলে গরু না দেখেও সার্টিফিকেট দেন পশু হাসপাতালের লোকজন। ফলে কোনটি সুস্থ আর কোনটি অসুস্থ দেখেন না বলে জানিয়েছেন একাধিক কসাই।

 

অথচ পশু জবাই ও মাংসের মাণ নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১ এর আওতায় ৫ এর দুই ধারায় পরীক্ষা করে কসাই খানায় সার্টিফিকেট ঝোলানো থাকবে। মাংসের যে কোন অংশে সীল মারা থাকবে। এই আইনের ধারা ১৫ তে বর্ণিত পশু জবাই নিষিদ্ধ দিবস ব্যতিত অন্যান্য দিনে জবাই খানায় জবাইয়ের উদ্দেশ্য আনিত পশু এবং জবাই পরবর্তী পশু সংশ্লিষ্ট ভেটেনারি কর্মকর্তা বা ক্ষেত্রমতে ভেটেরিনারিয়ান কর্তৃক এই আইনের অধীন প্রণিত বিধি অনুসরণপূর্বক যথাযথভাবে পরীক্ষা করতে হবে। কিন্তু এখানে এই আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে জানা গেছে। এভাবেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি করার অপরাধে এক কসাইকে সাত দিনের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যামাণ আদালত।

 

আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে এই রায় প্রদান করেন। জানা গেছে, উপজেলা সদর আজিমপুর কসাই পাড়া গ্রামের আয়নাল কসাই গ্রাম থেকে একটি অসুস্থ্য গরু (ষাঢ়) কিনে সিংগাইর বাসষ্ট্যান্ডে জবাই করে মাংস বিক্রি করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কসাইকে সাত দিনের জেল দিয়ে মাংসগুলো উদ্ধার করে মাটি চাপার নির্দেশ দেন।

 

অভিযুক্ত আয়নাল কসাইয়ের ছেলে আরমান হোসেনের দাবি তার বাবাকে অন্যায়ভাবে জেল দেওয়া হয়েছে। কারণ গরু জবাইয়ের আগে পশু হাসপাতালের ডাক্তার তার বাবাকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। সার্টিফিকেট দেওয়ার আগে একশ টাকা করে নিয়ে থাকেন। ৮০ হাজার টাকায় কেনা গরুর ৫/৬ মণের মধ্যে ২০ কেজি মাংশও বিক্রি করেছেন। টাকা দিলে তারা গরু না দেখেও সার্টিফিকেট দিয়ে দেন। গরু যদি অসুস্থ হয় তাহলে সে সার্টিফিকেট কি করে।

 

টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা স্বীকার করে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো: ফারুক আহাম্মদ বলেন, যাতায়াত ও মোটর সাইকেলের তেল খরচ বাবদ ট্যাকনেশিয়ানরা টাকাটা নিয়ে থাকে। কারণ গ্রাম থেকে গরু তো আর এখানে আনা সম্ভব না। সুত্র-ইত্তেফাক

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com