শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে ১৩ ফুটের দুটি গাঁজা গাছসহ কবিরাজ গ্রেপ্তার এনআইডি না থাকলেও বিশেষ প্রক্রিয়ায় করা যাবে  টিকার নিবন্ধন দেশে টিকা নিলো ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৮৩৪ জন মানুষ রাজশাহী-চাঁপাইয়ে আবারও বেড়েছে সংক্রমণ হাতীবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধর ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ পাট চাষে কৃষকের মুখে হাসি নওগাঁয় অস্ত্র-গুলিসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নওগাঁয় চুরির অপবাদে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় শিশুকে নির্যাতন জামিল ব্রিগেডের কার্যক্রম রাজশাহী শহর পেরিয়ে এবার গ্রামে চিকিৎসা, শিক্ষা, অবকাঠামো, মান উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জন্য ১২ দফা প্রস্তাব
রাজশাহীর পদ্মার তীররক্ষা বাঁধ থেকে নেমে যাচ্ছে ব্লক

রাজশাহীর পদ্মার তীররক্ষা বাঁধ থেকে নেমে যাচ্ছে ব্লক

নিজস্ব প্রতিনিধি :

রাজশাহী মহানগরীর কেশবপুর এলাকায় পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের ব্লকগুলো নিচে নেমে গেছে। এই এলাকায় নদীর পাড়েই মানুষের বসবাস। পদ্মা পাড়ের এলাকাবাসীর আশঙ্কা ব্লকগুলো নিচে নেমে যাওয়ায় যেকোনো সময় তাঁদের ঘর বাড়ি নদীতে ভেসে যাবে।

 

ব্লক নেমে যাওয়ার পর নদীর ধারের রাস্তা স্থানীয়রা নিজ উদ্দ্যেগে লোকজন বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ইতিমধ্যে বালুর বস্তা ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, বালুর বস্তায় কাজ হবে না কাজ হবে না স্থায়ী একটা সমাধান দরকার।

 

পদ্মাপাড়ের কহিনুর বেগম (৫০) জানান, ‘গত বছরই বাঁধের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। তখনো শুধু বস্তাই ফেলা হয়েছিল। পানি কমে যাওয়ার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড আর কাজে হাত দেয়নি। সারাটা বছর গেল, তাঁদের তো কোনো খবর নেই। আবার এখন নাকি বস্তা ফেলবে। বস্তা দিয়ে তো বড় বিপদ ঠেকানো যাবে না।’

 

পদ্মাপাড়ের ফয়সাল কবির বলেন, এই বাঁধের বয়স হয়েছে। এত দিনে সব নড়বড়ে হয়ে গেছে। এবার বৃষ্টি হলেই সব নেমে যাবে। এখন হয়তো আগের মতো বালুর বস্তা ফেলবে। কিন্তু বাঁধটাই মেরামত করা দরকার। এই স্রোতের মুখে বস্তা টিকবে না।

কেশবপুর এলাকাটি রাজশাহী মহানগরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়েছে। যোগাযোগ করা হলে এলাকার কাউন্সিলর রুহুল আমিন বলেন, তিনি জায়গাটি পরিদর্শন করে পাউবোকে বলেছেন।

 

তিনি বলেন, তারা বালুর বস্তা ফেলবে। প্রায় ১৫ বছর আগে এখানে নদীর বাঁ তীর রক্ষণাবেক্ষণের স্থায়ী কাজ হয়। এই কাজে ব্যবহৃাত ব্লকের কোনোটির গায়ে ২০০৫ সাল আবার কোনোটির গায়ে ২০০৬ সাল লেখা রয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে ব্লকগুলো নড়বড়ে হয়ে গেছে। এক সারি থেকে আরেক সারির মধ্যে অনেকখানি ফাঁকও হয়ে গেছে।

 

রাজশাহী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, ‘আপাতত বালুর বস্তা ফেলেই সমাধান করতে হবে। ইতিমধ্যে বস্তায় বালু ভরার কাজ শুরু করা হয়েছে। শিগগিরই বস্তা ফেলা হবে। একটি প্রকল্প ছাড়া তো স্থায়ী কাজ করা যায় না। প্রকল্প অনুমোদন হতেও সময় লাগে।’

 

শফিকুল ইসলাম আরও জানান, বুলনপুর থেকে বাঘা উপজেলা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বাঁ তীরের যেসব জায়গায় বøক নেমে গেছে, সেই জায়গাগুলোতে স্থায়ী কাজ করার জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com