বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল হাসপাতালে  টাকা না দেয়ায় মেলেনি অক্সিজেন, ছটফট করে মারা গেলেন রোগী হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ সহযোগী আটক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ভ্যাকসিন না নিলে বেতন বন্ধ টিকা বাণিজ্যে অভিযুক্ত ‘হুইপ পোষ্য’কে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হিলিতে তুলা কারখানায় আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি গাইবান্ধা গ্রাম পুলিশরা মানহীন সাইকেল গ্রহণে অস্বীকৃতি  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জগন্নাথপুরে করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ২৬০০ ডোজ টিকা বিক্রি করেন হুইপের ভাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
তালতলীতে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে বাবার হাতে ছেলে খুন

তালতলীতে মাকে রক্ষা করতে গিয়ে বাবার হাতে ছেলে খুন

নিউজ ডেস্ক :
মাকে রক্ষা করতে গিয়ে বাবা আসাদুল খাঁনের হাতে নিহত হয়েছেন দশম শ্রেণির ছাত্র মো. সুমন (১৫)। আজ বুধবার (২৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে তালতলী শহরের টিএনটি সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তালতলী উপজেলা শহরের টিএনটি সড়কের একটি বাসায় স্ত্রী-পুত্রসহ থাকতেন আসাদুল খাঁন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী সেলিনা বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে তার। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে তারা ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছেলে সুমন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি বাড়ি ফিরে দেখেন তার বাবা আসাদুল খাঁন মা সেলিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে উদ্ধত হচ্ছেন। এ সময় বাবাকে ফেরাতে মায়ের সামনে দাঁড়ায় ছেলে। সেই মুহূর্তে ধারালো অস্ত্রের আঘাত স্ত্রী সেলিনা বেগমের শরীরের না লেগে ছেলে সুমনের কপালে লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন সুমন।

 

সঙ্গে সঙ্গে বাবা আসাদুল খাঁন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে তালতলী হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ফাইজুর রহমান সঙ্কটজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ছেলের অবস্থা খারাপ দেখে বাবা আসাদুল ছেলে সুমনকে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালে ছেলেকে রেখেই বাবা আসাদুল খাঁন পালিয়ে যায়। পরে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক কেএম তানজিরুল ইসলাম ছেলে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বাবার হাতে ছেলের নিহতের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত সুমনের সহপাঠীরা ঘাতক বাবার দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করেছে। নিহত সুমন তালতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

 

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কেএম তানজিরুল ইসলাম বলেন, সুমনকে হাসপাতালে আনার আগেই সে মারা গেছে।

সেলিনা বেগম কান্নাজনিত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারধর করতো। আমাকে রক্ষা করতে গিয়েই আমার ছেলে খুন হয়েছে। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবি করছি।

 

 

তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘাতক বাবাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে নিহত স্কুল ছাত্র সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com