বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল হাসপাতালে  টাকা না দেয়ায় মেলেনি অক্সিজেন, ছটফট করে মারা গেলেন রোগী হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ সহযোগী আটক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ভ্যাকসিন না নিলে বেতন বন্ধ টিকা বাণিজ্যে অভিযুক্ত ‘হুইপ পোষ্য’কে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হিলিতে তুলা কারখানায় আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি গাইবান্ধা গ্রাম পুলিশরা মানহীন সাইকেল গ্রহণে অস্বীকৃতি  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জগন্নাথপুরে করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ২৬০০ ডোজ টিকা বিক্রি করেন হুইপের ভাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
করোনা মহামারির মধ্যেও মিলিয়নেয়ার হয়েছেন বিশ্বের অর্ধকোটি মানুষ

করোনা মহামারির মধ্যেও মিলিয়নেয়ার হয়েছেন বিশ্বের অর্ধকোটি মানুষ

নিউজ ডেস্ক :
কভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি সত্ত্বেও ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে অর্ধকোটির বেশি মানুষ নতুন করে মিলিয়নেয়ার হয়েছেন। মহামারির কারণে বিশ্বে যখন অনেক দরিদ্র মানুষ আরো দরিদ্র হয়েছেন, সেখানে বিশ্বের কোটিপতিদের সংখ্যা আরো ৫২ লাখ বেড়ে পাঁচ কোটি ৬১ লাখে দাঁড়িয়েছে বলে ক্রেডিট সুইসের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে। শেয়ারবাজারের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা এবং বিশেষ করে বাড়িঘরের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের কোটিপতি হয়ে ওঠার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে।

 

গবেষকরা বলছেন, ধনসম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি দেখা গেছে মহামারির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি থেকে যেন একেবারেই আলাদা একটা বিষয়। অর্থনীতিবিদ এবং গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্টের লেখক অ্যান্থনি শোরকস বলেছেন, ‘মহামারির কারণে বিশ্ববাজারের ওপর একটি স্বল্পমেয়াদি প্রভাব পড়েছিল, কিন্তু ২০২০ সালের শেষ নাগাদ তার বেশির ভাগ কাটিয়ে ওঠা গেছে।’ ‘বিশ্বের ধনীদের সম্পদ এই বিপদের মধ্যেও শুধু যে স্থিতাবস্থায় থেকেছে তাই নয়, বরং বছরের দ্বিতীয় ভাগে তা আরো বেড়েছে।’ তিনি বলেছেন। তবে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের মধ্যে সম্পদের পার্থক্য ২০২০ সালে আরো বেড়েছে।

 

মি. শোরকস বলছেন, তবে কিছু কিছু বিষয় ভবিষ্যতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংশোধন হতে পারে। যেমন কোনো একটা পর্যায়ে ব্যাংক সুদের হার আবার বাড়বে, তখন আবার সম্পদের মূল্য কমে যাবে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ৭.৪ শতাংশ। একুশ শতকের শুরুতে যে পরিমাণ মানুষের কাছে অন্তত ১০ হাজার ডলার এবং এক লাখ ডলার ছিল, তাদের সংখ্যা এখন তিন গুণ বেড়েছে। ২০০০ সালে এ রকম মানুষের সংখ্যা ছিল ৫০ কোটি ৭০ লাখ, ২০২০ সাল নাগাদ সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭০ কোটিতে।

 

গবেষকরা বলছেন, এই সম্পদ বৃদ্ধির কারণ হচ্ছে, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সমৃদ্ধি বেড়েই চলেছে, বিশেষ করে চীনের। এ ছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যবিত্তদেরও বিকাশ হচ্ছে। ক্রেডিট সুইসের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ন্যানেত্তে হেচলার-ফায়ডহের্বে বলেছেন, ‘মহামারির কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ব্যবসা এবং ব্যক্তিদের জন্য বিশ্বের সরকারগুলো এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যে ব্যাপক অর্থনৈতিক সহায়তা প্রকল্প নিয়েছে, সুদের হার কমিয়ে দিয়েছে তার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। এ কারণেই মহামারির কারণে বিশ্বের বড় একটি সংকট ঠেকিয়ে দেওয়া গেছে।’

 

তিনি বলছেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যে সুদের হার কমিয়েছে, সম্ভবত তার কারণেই বড় প্রভাব পড়েছে।’ ‘এটা একটা প্রধান কারণ যে, শেয়ারের দাম বেড়েছে, বাড়ির মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে এবং এর ফলে আমাদের বিবেচনায় একেকজন ব্যক্তির সার্বিক ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।’ তিনি বলছেন, ব্যাংকঋণের সুদের হার বিশ্বব্যাপী কমে যাওয়ায় তার প্রভাব সরাসরি শেয়ারের দাম ও বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টের ওপর পড়েছে। এ কারণে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণও বেড়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, সেই সঙ্গে জিডিপির তুলনায় অনেক দেশে জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ অন্তত ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

 

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com