বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০১:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল হাসপাতালে  টাকা না দেয়ায় মেলেনি অক্সিজেন, ছটফট করে মারা গেলেন রোগী হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ সহযোগী আটক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ভ্যাকসিন না নিলে বেতন বন্ধ টিকা বাণিজ্যে অভিযুক্ত ‘হুইপ পোষ্য’কে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হিলিতে তুলা কারখানায় আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি গাইবান্ধা গ্রাম পুলিশরা মানহীন সাইকেল গ্রহণে অস্বীকৃতি  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জগন্নাথপুরে করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ২৬০০ ডোজ টিকা বিক্রি করেন হুইপের ভাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
বদলগাছীর ক্যাপ্টেনকে পাবেন ২০ লাখে 

বদলগাছীর ক্যাপ্টেনকে পাবেন ২০ লাখে 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এবারের কোরবানি ঈদে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার সেরা আকর্ষণ ক্যাপ্টেন। সাদা-কালো রঙের মিশেলে ক্যাপ্টেন যেন আস্ত একটি হাতি। এই ষাঁড়টির ওজন আনুমানিক ৩৮ থেকে ৪০ মণ। ক্যাপ্টেনের মালিক মাসুদ রানা এর দাম হেকেছেন ২০ লাখ টাকা। সাথে ক্যাপ্টেনের সহপাঠী আনুমানিক ৫ মণ ওজনের একটি ছোট ষাঁড় ফ্রি।

 

জানা যায়, উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের জগদিশপুর গ্রামের গবাদি পশু-পাখির খাবার বিক্রেতা মাসুদ রানা ২ বছর ২ মাস আগে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি হাট থেকে ৮৭ হাজার টাকায় ক্রয় করেন ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়। তার ইচ্ছে ছিল গরুটি এক বছর লালন পালন করে কোরবানির ঈদে বিক্রয় করবেন।

গত কোরবানি ঈদে ঢাকা থেকে এক শিল্পপতি এসে সাড়ে ৯ লাখ টাকা দাম করেছিলেন। কিন্তু গরুটির বয়স না হওয়ায় আর কেনেননি সেই ব্যক্তি। ঠিকমতো লালন পালন করে এ বছর দাম ঠিক করেছেন ২০ লাখ টাকা।

 

মাসুদ রানা জানান, কেনার পর থেকেই নিজের সন্তানের মতো করে ক্যাপ্টেনকে লালন পালন করেছেন তিনি। প্রতিদিন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি আপেল, কমলা ও মাল্টা খেতে দেন এই গরুটিকে। নিয়মিত খাবারের মধ্যে আছে সুজি, ভুসি ও খুদের ভাত। বর্তমানে প্রতিদিন তিন কেজি আপেল, কমলা ও মাল্টা খায় ক্যাপ্টেন। প্রতি মাসে এই ষাঁড়টিকে সাড়ে তিন মণ সুজি, সাড়ে তিন মণ ভুসি ও তিন মণ খুদের ভাত খেতে দিতে হয় তাকে।

 

কেনার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই ২ বছর ২ মাসে ক্যাপ্টেনের পেছনে তিনি খরচ করছেন ৭ লাখ টাকা। গরমের মধ্যে প্রতিদিন দেড় ঘণ্টা করে তিনবার গোসল করাতে হয় ক্যাপ্টেনকে। গরম সয্য করতে পারে না একেবারেই তাই বিদ্যুত চলে গেলে আইপিএস দিয়ে ফ্যান চালানোর ব্যবস্থা করেছেন তিনি। ৩৮ থেকে ৪০ মণ ওজনের ক্যাপ্টেনকে বাড়ির দরজা দিয়ে আর বের করা যায় না। তাকে বের করতে হলে দরজা কেটে বের করতে হবে।

 

মাসুদ রানা আরো বলেন, অনেক যতœ করে লালন পালন করেছি আমার এই ক্যাপ্টেনকে। মন মতো দাম পেলে বাড়ি থেকেই বিক্রি করবো। আর যদি ভালো দাম না পাই তবে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করবো। ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করার ইচ্ছা আছে তার। মাসুদ রানা’র স্ত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী অনেক সৌখিন মানুষ। গরুটিকে নিজের সন্তানের মতো করে লালন পালন করেছেন তিনি। গরুটি আমাদের কাছে খুবই আপন হয়ে গিয়েছে। ওকে বিক্রি করলে খুবই কষ্ট লাগবে। কিন্তু বিক্রি তো করতেই হবে। সেক্ষেত্রে যদি ভালো দাম পাই তাহলে কষ্ট কিছুটা কমবে।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com