বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল হাসপাতালে  টাকা না দেয়ায় মেলেনি অক্সিজেন, ছটফট করে মারা গেলেন রোগী হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ সহযোগী আটক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ভ্যাকসিন না নিলে বেতন বন্ধ টিকা বাণিজ্যে অভিযুক্ত ‘হুইপ পোষ্য’কে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হিলিতে তুলা কারখানায় আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি গাইবান্ধা গ্রাম পুলিশরা মানহীন সাইকেল গ্রহণে অস্বীকৃতি  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জগন্নাথপুরে করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ২৬০০ ডোজ টিকা বিক্রি করেন হুইপের ভাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
টিকার ১ম ও ২য় ডোজের ৪৫ সপ্তাহের ব্যবধানে চমৎকার ফল: অক্সফোর্ড

টিকার ১ম ও ২য় ডোজের ৪৫ সপ্তাহের ব্যবধানে চমৎকার ফল: অক্সফোর্ড

নিউজ ডেস্ক :
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের তৃতীয় ডোজ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে বলে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে। তবে বিশ্বের অনেক দেশে যখন ভ্যাকসিনের ঘাটতি চলছে তখন অতিরিক্ত তৃতীয় ডোজ প্রয়োগের আদৌ দরকার আছে কি-না সে সম্পর্কে কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

 

অক্সফোর্ডের গবেষণায় দেখা গেছে, ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ডোজ শরীরে অ্যান্টিবডি এবং টি-সেলের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের ব্যবধান ৪৫ সপ্তাহ অর্থাৎ ৩১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি শরীরে শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

 

যুক্তরাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের তিন-পঞ্চমাংশই ইতোমধ্যে কোভিড ভ্যাকসিনের উভয় ডোজ পেয়েছেন। দেশটির সরকার আগামী শরতের মধ্যে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

 

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের পরিচালক অ্যান্ড্রু পোলার্ড বলেছেন, করোনাভাইরাসের উদ্ভূত ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বর্তমান ভ্যাকসিনগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুরক্ষা দেয় বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর অর্থ এ ধরনের বুস্টার ডোজের দরকার নাও হতে পারে।

 

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমাদের এমন অবস্থানে থাকতে হবে যেন প্রয়োজন হলে আমরা বুস্টার ডোজ ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও প্রমাণ নেই যে এটির দরকার আছে।

‘এই মুহূর্তে যুক্তরাজ্যের জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি উচু স্তরের সুরক্ষা আছে এবং এটি ক্ষয়ে যাওয়ার কোনও প্রমাণ নেই। অন্য দেশে যেখানে টিকার ডোজ এখনও শূন্য, সেখানে যুক্তরাজ্যে তৃতীয় ডোজ দেওয়াটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

এর আগের গবেষণায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত অ্যাস্ট্রাজেনেকার লাইসেন্সকৃত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনটি চার সপ্তাহের পরিবর্তে ১২ সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হলে তাতে উচ্চ কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে।

 

 

সোমবার অক্সফোর্ডের এই গবেষণার একটি প্রি-প্রিন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এই গবেষণায় অংশ নেওয়া ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী যারা দেরীতে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছিলেন এবং অন্য ৯০ জন তৃতীয় ডোজ নেন— তাদের শরীরে কি ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে সেটি দেখা হয়েছে। অক্সফোর্ডের এই ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকের বয়স ৫৫ বছরের নিচে।

 

অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসনের মতো ভাইরাল ভেক্টর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় এবং এই ভ্যাকসিনের জিনগত তথ্য সরবরাহ করে এমন ভেক্টরগুলোর বিরুদ্ধে শরীর প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে এমন ঝুঁকির কারণে প্রত্যেক বছর টিকা প্রয়োগ করতে হবে কি-না সেই উদ্বেগে আশ্বাস জুগিয়েছে অক্সফোর্ডের এই গবেষণা।

 

অক্সফোর্ডের জেনার ইনস্টিটিউটের গবেষক তেরেসা ল্যাম্বে বলেন, বুস্টার টিকাদান কর্মসূচিতে আমরা এই ভ্যাকসিনটি ব্যবহার করতে পারবো কি-না সেটি নিয়ে কিছু উদ্বেগ ছিল। কিন্তু গবেষণার তথ্য উপাত্তে সেই শঙ্কা কেটে গেছে। সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com