বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০১:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল হাসপাতালে  টাকা না দেয়ায় মেলেনি অক্সিজেন, ছটফট করে মারা গেলেন রোগী হেলেনা জাহাঙ্গীরের ২ সহযোগী আটক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ভ্যাকসিন না নিলে বেতন বন্ধ টিকা বাণিজ্যে অভিযুক্ত ‘হুইপ পোষ্য’কে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হিলিতে তুলা কারখানায় আগুনে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি গাইবান্ধা গ্রাম পুলিশরা মানহীন সাইকেল গ্রহণে অস্বীকৃতি  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জগন্নাথপুরে করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ২৬০০ ডোজ টিকা বিক্রি করেন হুইপের ভাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
রাত পোহালেই ‘কঠোর লকডাউন: গন্তব্যে পৌঁছতে মরিয়া তারা

রাত পোহালেই ‘কঠোর লকডাউন: গন্তব্যে পৌঁছতে মরিয়া তারা

নিউজ ডেস্ক :
রাত পোহালেই ‘কঠোর লকডাউনে’ পড়ছে গোটা দেশ। পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দের রেশ কাটানোর আগেই গন্তব্যে পৌঁছতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মানুষ। যে কোন ভাবেই ফিরতে হবে গন্তব্যে। রাতের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছতে ঈদের পরদিন (বৃহস্পতিবার) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রতি স্টেশন এলাকায় যেন যাত্রীদের ঢল নামে।

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন স্টেশন এলাকায় গাড়ির অপেক্ষায় হাজার হাজার যাত্রী। কেউ বা সকালে স্টেশনে দাঁড়িয়ে গাড়ি পেয়েছেন দুপুরে আবার কেউবা দুপুরে দাঁড়িয়ে বিকেল পর্যন্ত পাননি কাঙ্খিত গাড়ি।

 

যাত্রী চাপে গাড়িগুলোতে ফিকে হয়ে গেছে স্বাস্থ্যবিধি। অতিরিক্ত ভাড়ায় সিটের চেয়ে অধিক যাত্রী নিয়ে ছুটে চলছে বাস, মাইক্রোবাসসহ সকল গণপরিবহন। প্রাইভেট পরিবহনের চলাচলও বেড়েছে কয়েকগুণ। স্টেশন এলাকাগুলোতে যাত্রী উঠা-নামার জন্য একটু ব্রেক কষলেই পিছনে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট।

 

মহাসড়কের কুমিল্লার ময়নামতি, নিমসার, চান্দিনা, মাধাইয়া, কুটুম্বপুর ও ইলিয়টগঞ্জ স্টেশন এলাকাগুলো ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। এ সময় ঢাকাগামী যানবাহনের চাপ অনেক বেশি দেখা গেছে। আবার গাড়ির অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন স্টেশন এলাকাও ছাড়িয়ে গেছে। একটি বাস আসলেই ভাড়ার তোয়াক্কা না করে গাড়িতে উঠতে হুমরি খেয়ে পড়ছেন যাত্রীরা। কোন কোন বাসে ২/৪টি ফাঁকা আসনে বা গাড়ির ইঞ্জিনের উপর বসাতে যাত্রী উঠানোর জন্য গাড়ি থামাতেই ভীড় করছেন ২০-৩০জন যাত্রী।

 

চান্দিনা স্টেশন এলাকায় গাড়ির অপেক্ষায় থাকা ঢাকাগামী যাত্রী বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকি। ঢাকায় একটি প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরী করি। মা-বাবা, ভাই-বোন ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি এসেছিলাম। আগামীকাল (শুক্রবার) থেকে ‘লকডাউন’, আর লকডাউনে আমাদের অফিসতো আর বন্ধ হয়নি। বাধ্য হয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।

 

তিনি আরো বলেন, আমি দুপুর ২টায় স্টেশনে দাঁড়িয়েছি এখনও (বিকাল সাড়ে ৫টা) বাস পাইনি। সব বাসেই সিটের চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে আসছে। যেগুলো এ স্টেশনে থামছে সবগুলোরই ইঞ্জিনের উপর সিট। স্ত্রী ও বাঁচ্চা নিয়ে সেখানে বসাও অসম্ভব। তাই অপেক্ষা করছি।

 

 

স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অধিক যাত্রী ও কোন প্রকার স্যানিটাইজার ছাড়া গাড়িতে যাত্রী উঠানো সম্পর্কে বাস চালকদের সাথে কথা বলতে চাইলে অধিকাংশ চালকই মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। আবার কেউ কেউ অনেকটা রেগে গিয়ে বলেন, ‘আরে ভাই, এখন রাখেন। দেখছেন না গাড়ি থামাইলে যাত্রীরা কিভাবে তাড়াহুরা কইরা উঠতাছে, আমরা কি করবো।’

 

 

হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, আগামীকাল থেকে কঠোর লকডাউন, তাই যাত্রী ও গাড়ি চালকরা বেপরোয়া হয়ে আছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমাদের হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com