বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেলে চাঁদা না পেয়ে ডাকাতি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হোটেলটিতে টাকাপয়সা তেমন না থাকলেও কিছু জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মালিকপক্ষ। আর এ ঘটনার সঙ্গে কয়েকজন সাবেক ছাত্রদল নেতা-কর্মী জড়িত বলে দাবি করা হচ্ছে।
নগরের প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজার গণকপাড়া এলাকার হোটেল গ্র্যান্ড আবাসিকে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মুখোশ পরা ৮-১০ জন সশস্ত্র যুবক ওই হোটেলে হানা দেয়। তারা হোটেলের দোতলায় চারজন কর্মচারীকে জিম্মি করে নিচতলায় লুটতরাজ চালায় বলে হোটেল মালিকপক্ষের অভিযোগ। তবে পুলিশ বলছে, এটা ডাকাতি নয়; চাঁদাবাজি হতে পারে।
হোটেলটির মালিকের নাম আবুল বাসার সুজন। তিনি নগরের বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের নেতা। এ ছাড়া তিনি রাজশাহীর তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী তিনি। গত ৫ আগস্টের পর মামলার আসামি হয়ে সুজন আত্মগোপনে রয়েছেন। বর্তমানে হোটেলটি দেখাশোনা করেন তাঁর ভাতিজা রোকন সরকার।
রোকন দাবি করেছেন, রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের দুই নেতার নেতৃত্বে ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংগঠনের নামে তাঁরা হোটেলে এসে ৫-১০ হাজার টাকা করে কয়েকবার চাঁদা নিয়ে গেছেন। কয়দিন আগে জুয়েল নামের একজন ফোন দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার রাতে এসে প্রথমে তারা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এত টাকা দিতে পারব না বললে তারা দোতলায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে নিচতলার হোটেলে ডাকাতি শুরু করে।’