বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথির বর্তমান সংকট উত্তরণে অন্তরায় ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করুন

বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথির বর্তমান সংকট উত্তরণে অন্তরায় ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করুন

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) :

বাংলাদেশে বেসরকারি আশা ইউনিভার্সিটি ও বিবিসি (বাংলা) যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন-২০১৫ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ ভাগ জনগণ হোমিওপ্যাথিত চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছে।
বাংলাদেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর হাত দিয়ে আইনের মাধ্যমে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর হোমিওপ্যাথি বিষয় সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ তথা সরকারি নিয়ন্ত্রণকারী/রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এর প্রতিষ্ঠা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকার স্বীকৃত ও নিয়ন্ত্রণকৃত ৬৫টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস কোর্স চালু আছে। ২টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিএইচএমএস কোর্স চালু আছে। বর্তমানে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড পরিচালনা কমিটিতে সরকার দলীয় নেতা সরকার মনোনীত রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত বোর্ড চেয়ারম্যান বা সরকার মনোনীত প্রতিনিধি বোর্ড সদস্য বা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কখনও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ঢাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি দিতে পারে কি? পারেনা। হয় তাদেরকে পদের মহো ছেড়ে পদত্যাগ করে সাধারণ হোমিওপ্যাথদের কাঁতারে আসতে হবে। সে মোহ বা লোভনীয় পদ ছাড়তে পারবে কি? তারপর না হয় কর্মসূচি ঘোষণা করুন। তা না করে স্বার্থ সংরক্ষণ জাতীয় কমিটি বা স্টিয়ারিং কমিটি বা উপ কমিটি তথা কোন কমিটি করে বা পদ দিয়ে কাজ হওয়া কঠিন। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা নিজ নিজ দেশের আইন অনুসারে ডা. পদবী লিখে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ হতে আইনগতভাবে হোমিওপ্যাথরা ডা. পদবী ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশে ডা. পদবী ছাড়া অন্য কোন পদবী বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথরা গ্রহণ করবেনা ও নিবেনা।
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথদের সঙ্কট উত্তরণে করণীয় :
===================================
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথদের সঙ্কট উত্তরণে তথা সমাধান করতে হবে মন্ত্রণালয়ে, সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা নিজ নিজ দেশের আইন অনুসারে ডা. পদবী লিখে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ হতে আইনগতভাবে হোমিওপ্যাথরা ডা. পদবী ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশে ডা. পদবী ছাড়া অন্য কোন পদবী বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথরা গ্রহণ করবেনা ও নিবেনা। বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিদের দাবি নিয়ে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এর সরকার মনোনীত বোর্ড চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে বা ডা. সাখাওয়াত ইসলাম ভুঁইয়া (প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রধান উদ্যোক্তা) এর নেতৃত্বে বোর্ডের ভিতর ও বোর্ডের বাহির হতে এমন ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে হবে যারা বিনীতভাবে তাৎক্ষণিকভাবে নথির তারিখ-বিষয়সহ কথা বলতে পারে/উপস্থাপন করতে পারে তথা যুক্তিসহ কথা বলতে পারে/উপস্থাপন করতে পারে চৌকশ এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য বিশিষ্ট জনদের নিয়ে আলোচনার জন্য গ্রহণযোগ্য ১০/১২ জনের প্রতিনিধি দল গঠন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিসিয়ালভাবে সাক্ষাত করার জন্য প্রতিনিধি দলের নাম ও পরিচিতি এবং সাক্ষাতের বিষয়/কারণ উল্লেখ করে তারিখ ও সময় চেয়ে সার্বিক যোগাযোগের ঠিকানা লিখে প্যাডে আবেদন করতে হবে। দাবি বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত ও আলোচনা এবং রাজনৈতিক সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দরকার হবে। মাঠ পর্যায়ে হোমিওপ্যাথরা মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হোমিওপ্যাথদের সাক্ষাত এবং আলোচনা ব্যতিত অন্যকোন বিকল্প নেই।
প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের প্যাডে সরাসরি চেয়ারম্যান কর্তৃক অফিসিয়ালভাবে স্মারক নম্বরসহ লিখিতভাবে সরাসরি সাক্ষাত চেয়ে, সাক্ষাতের কারণ হিসাবে “বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে হোমিওপ্যাথির সার্বিক উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় আইনে প্রতিবন্ধকতা, প্রস্তাবিত আইনে আন্দোলন-ক্ষোভ দূর করতে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনে হোমিওপ্যাথদের ডাক্তার পদবী দেশে-বর্হিবিশ্বের মত ব্যবহার চলমান ও বহালে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করে প্রস্তাবিত আইনটি জাতীয় সংসদে পাস করা সহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা…।”
মাঠ পর্যায় হতে হোমিওপ্যাথিক প্রতিনিধি নাম প্রস্তাব :
====================================
বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথদের সঙ্কট উত্তরণে তথা সমাধান করতে হবে মন্ত্রণালয়ে, সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত ও আলোচনার জন্য হোমিওপ্যাথিদের প্রতিনিধি দল নির্ধারণে বা গঠনে মাঠ পর্যায়ের হোমিওপ্যাথদের পক্ষ হতে পছন্দের নিম্নলিখিত খসড়া নাম প্রস্তাব করে আসছে। প্রস্তাবিত নামের অন্যান্য সব ব্যক্তিদের সঙ্গে অবিলম্বে সরাসরি সাক্ষাত ও বিস্তারিত কথা বলে অনুরোধ করে রাজি করে প্রতিনিধি দলে নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং তারপর আলোচনার কৌশল নির্ধারণ করা। হোমিওপ্যাথি বোর্ড চেয়ারম্যান বা প্রস্তাবিত বেসরকারি বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথি ইউনিভার্সিটি এর প্রধান উদ্যোক্তা জনাব ডা. সাখাওয়াত ইসলাম ভূঁইয়াকে হোমিওপ্যাথি প্রতিনিধিদের তালিকা চূড়ান্ত করে করতে হবে।
(১) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড পরিচালনা কমিটির বর্তমান সরকার মনোনীত চেয়ারম্যান,
(২) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব (বোর্ডের রেজিষ্ট্রার)
(৩) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড পরিচালনা কমিটির প্যানেল চেয়ারম্যান ১-৩,
(৪) বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি (আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা, ১৯৯৬/৯৭ বাংলাদেশে প্রথম জেলা-উপজেলায় সরকারী হাসপাতাল গুলোতে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার নিয়োগে অবদানকারী, হোমিওপ্যাথি অনুরাগী) জনাব ডা. এসএ মালেক,
(৫) বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত) এর প্রধান উদ্যোক্তা ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জনাব ডা. সাখাওয়াত ইসলাম ভূঁইয়া (খোকন) (ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস),
(৬) বাংলা একাডেমী মহাপরিচালক (প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক) জনাব ডা. মুহম্মদ নূরুল হুদা,
(৭) হোমিওপ্যাথিক গবেষক ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ জনাব ড. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস, পি-এইচডি)
(৮) সাবেক এলোপ্যাথ সরকারি চিকিৎসক, সাবেক হোমিওপ্যাথি বোর্ড সদস্য, হোমিওপ্যাথ ও গবেষক জনাব ড. শেখ ফারুক এলাহী (এমবিবিএস, ডিএইচএমএস, পি-এইচডি…)
(৯) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীর বিক্রম জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া,
(১০) ক্ষমতাসীন জোট ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বর্ষীয়ান নেতা জনাব আমীর হোসেন আমু,
(১১) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্তমান শুধু সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে অন্তর্ভুক্ত করে সকলের সম্মতি নিয়ে প্রতিনিধি কমিটির সকলের নাম, পদবী, পরিচিতি, মোবাইল নম্বর উল্লেখসহ সর্বোচ্চ ১২/১৩ জনের জন্য আবেদন করা যায়।
★ আলোচনায় বিবিধ প্রতিনিধিরা উল্লেখ করতে পারে : চট্রগ্রামে বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন হয়েছে, মাদারীপুর জেলায় বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য নামে শেখ কামাল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ আছে, ঝালকাঠী জেলায় বঙ্গবন্ধুর বোনের নামে সরকার স্বীকৃত ফিরোজা আমু হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ রয়েছে। ঢাকায় বেসরকারিভাবে বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথিক ইউনিভার্সিটি (প্রস্তাবিত) রয়েছে। জাতির জনকের নামে সরকারিভাবে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর নামে জাতীয় হোমিওপ্যাথিক রিসার্চ ইন্সটিটিউট স্থাপনে প্রকল্প প্রস্তাব ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নামে সরকারিভাবে শেখ হাসিনা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প প্রস্তাব বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থাপন হয়ে রেজুলেশন হয়ে তা প্রকল্প প্রস্তাব হিসাবে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম চলছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশে কয়েকদশক যাবত হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী ব্যবহার করে আসলেও তা নিয়ে নতুন করে টানা-হেচরা কাম্য নয়। ডা. পদবী নিয়ে বঙ্গবন্ধু নামে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল ও প্রস্তাবিত হোমিওপ্যাথিক ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের নামে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ গুলো ও সরকারিভাবে স্থাপন করার জন্য বঙ্গবন্ধু নামে রিসার্চ ইন্সটিটিউট স্থাপন প্রকল্প ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে সরকারিভাবে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেওয়া কাজ গুলোর উপর বিরুপ প্রভাব পড়েছে। নতুন করে চক্রান্তকারিরা ডা. পদবী নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার ফলে হোমিওপ্যাথদের ব্যবহার করে আসা অধিকার ডা. পদবী হোমিওপ্যাথরা ব্যবহার করতে না পারলে হোমিওপ্যাথিক বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেনা ও গবেষণার জন্য হোমিওপ্যাথিক গবেষক তৈরি হবেনা। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা নিজ নিজ দেশের আইন অনুসারে ডা. পদবী লিখে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ হতে আইনগতভাবে ডা. পদবী লিখে আসা হোমিওপ্যাথদের (ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী) ডাক্তার হিসাবে ডা. পদবী লেখার ও ব্যবহার করার অধিকার নতুন প্রস্তাবিত হোমিওপ্যাথিক আইনে বজায় রাখা। বাংলাদেশে ডা. পদবী ছাড়া অন্য কোন পদবী বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথরা গ্রহণ করবেনা ও নিবেনা। প্রয়োজনে এগুলোও উল্লেখ করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথদের দাবী সমূহ :
============================
(১) ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা নিজ নিজ দেশের আইন অনুসারে ডা. পদবী লিখে আসছে। বাংলাদেশে১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ হতে আইনগতভাবে ডা. পদবী লিখে আসা হোমিওপ্যাথদের (ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী) ডাক্তার হিসাবে ডা. পদবী লেখার ও ব্যবহার করার অধিকার বজায় রাখা।
(২) ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস ডিগ্রিধারীদের যথাযথভাবে হোমিওপ্যাথদের অধিকার বজায় রেখে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) জাতীয় সংসদে পাস করা।
(৩) ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস ডিগ্রিধারীদের জন্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল গঠন করা।
(৪) ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথদের বিরুদ্ধে আইনী হয়রানি বন্ধ করা।
(৫) ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা করা।
(৬) ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা।
(৭) ডিএইচএমএস পাস হোমিওপ্যাথদের সনদের সমমান নির্ধারণ করা ও সরকারি সকল জেলা-উপজেলা হাসপাতালে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা।
(৮) এলোপ্যাথ ও ডেন্টালদের আইন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন হলেও তার অপপ্রয়োগে মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হোমিওপ্যাথরা সে আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিল ও জড়ালো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
(৯) জাতীয় ভাবে কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি গবেষণা ইন্সটিটিউট স্থাপন।
(১০) সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও চালু করা।
অন্যান্য।
(বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাক্ষাতের তারিখ ও সময় চেয়ে আবেদনপত্রে এবং সাক্ষাতে প্রতিনিধি দল দাবি সমূহ উল্লেখ করা)
(তথ্যসূত্র/নথি ও মতামত)
লেখক পরিচিতি :
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)
ডিএইচএমএস (রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ)
এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ।
১৭ জুন ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
=====================================
(লেখার আত্মকথা : লেখক এ যাবত শতশত কলাম জনস্বার্থে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছে ও প্রকাশিত হয়েছে তা লেখক সাধারণ এনড্রয়েড মোবাইলে টাইপিং করেছে)
=====================================

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com