শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

এলোপ্যাথি বিএমডিসি-২০১০ আইনে রাস্ট্র পক্ষের ডা. উপাধি মামলায় হোমিওপ্যাথি ডা. বাবুল আদালতে জয়ী

এলোপ্যাথি বিএমডিসি-২০১০ আইনে রাস্ট্র পক্ষের ডা. উপাধি মামলায় হোমিওপ্যাথি ডা. বাবুল আদালতে জয়ী

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) :
পটুয়াখালী জেলায় হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস পাসকৃত রেজিস্টার্ড ডাঃ মোঃ বাবুল হোসেন সিকদার, পিতা- মৃত বেলায়েত হোসেন, সাং- চন্দ্রপাড়া, থানা- বাউফল, জেলা- পটুয়াখালী, বাংলাদেশ কে আসামী করে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল আইন-২০১০ এর ২২, ২৮, ২৯ ধারায় বাদী রাষ্ট্র পক্ষ এর অভিযোগ ও আদালতে মামলায় করেছিল। মিস মামলা নং ৭০/২০২০, ধারা : বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২, ২৮, ২৯ নং ধারা।
বাদী : রাস্ট্র, আসামি : ডাঃ মোঃ বাবুল হোসেন সিকদার, পিতা-মুত বেলায়েত হোসেন, সাং চন্দ্রপাড়া, থানা- বাউফল, জেলা- পটুয়াখালী।
মাননীয় বিচারক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পটুয়াখালী এর লিখিত রায়ে আদেশ : “আসামী ডাঃ মোঃ বাবুল হোসেন সিকদার কে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর অধীন ২২/২৮/২৯ ধারায় অভিযোগের দায় হতে অব্যাহতি (Discharged) প্রদান করা হল।”
রায়ে মামলার দায় হতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পটুয়াখালী আদালত পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস পাসকৃত রেজিস্টার্ড ডাঃ মোঃ বাবুল হোসেন সিকদারকে অব্যাহতি প্রদান করে রায় দিয়েছে।
দেখুন : বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল আইন-২০১০ এর ২২, ২৮, ২৯ ধারা সমূহ :
=====================================
আইনের ধারার শিরোনাম ও ধারা নং বিস্তারিত :
“নিবন্ধন ব্যতীত এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিষিদ্ধ” :
২২। (১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন নিবন্ধন ব্যতীত কোন মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এলোপ্যাথি চিকিৎসা করিতে, অথবা নিজেকে মেডিকেল চিকিৎসক বা, ক্ষেত্রমত, ডেন্টাল চিকিৎসক বলিয়া পরিচয় প্রদান করিতে পারিবেন না।
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উক্ত লংঘন হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড অথবা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
আইনের ধারার শিরোনাম ও ধারা নং বিম্তারিত :
“প্রতারণামূলক প্রতিনিধিত্ব বা নিবন্ধনের দন্ড”
২৮। (১) যদি কোন ব্যক্তি প্রতারণার আশ্রয় লইয়া ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে একজন স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসক বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসক হিসাবে এই আইনের অধীনে নিবন্ধন, অথবা নিবন্ধন করিবার উদ্যোগ গ্রহণ, অথবা মিথ্যা বা প্রতারণামূলক প্রতিনিধিত্ব প্রকাশ করিবার চেষ্টা করেন অথবা মৌখিক বা লিখিতভাবে উক্তরূপ ঘোষণা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড অথবা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ সংঘটনে সহায়তাকারী ব্যক্তি উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত দন্ডে সমানভাবে দন্ডনীয় হইবেন।
(৩) এই আইনের অধীন নিবন্ধনকৃত না হইয়াও যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে এই আইনের অধীনে নিবন্ধনকৃত একজন মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক বলিয়া প্রতারণা করেন, অথবা প্রতারণামূলকভাবে তাহার নাম বা পদবীর সংগে নিবন্ধনকৃত মর্মে কোন শব্দ, বর্ণ বা অভিব্যক্তি ব্যবহার করেন, তাহার মিথ্যা পরিচয়ের দ্বারা অন্য কোন ব্যক্তি প্রতারিত না হইলেও, তাহার উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড বা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
আইনের ধারার শিরোনাম ও ধারা নং বিস্তারিত :
“ভূয়া পদবী, ইত্যাদি ব্যবহার নিষিদ্ধ”
২৯। (১) এই আইনের অধীন নিবন্ধনকৃত কোন মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এমন কোন নাম, পদবী, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করিবেন না যাহার ফলে তাহার কোন অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে মর্মে কেহ মনে করিতে পারে, যদি না উহা কোন স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা হইয়া থাকে। ন্যূনতম এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রী প্রাপ্তগণ ব্যতিত অন্য কেহ তাহাদের নামের পূর্বে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করিতে পারিবেনা।
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উক্ত লংঘন হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড বা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন, এবং উক্ত অপরাধ অব্যাহত থাকিলে, প্রত্যেকবার উহার পুনরাবৃত্তির জন্য অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থ দন্ডে, বর্ণিত দন্ডের অতিরিক্ত হিসাবে, দন্ডনীয় হইবেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এর “বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০” ( ২০১০ সনের ৬১ নং আইন ) যেটা এলোপ্যাথি ও ডেন্টাল চিকিৎসকদের আইন।
[ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক ২০১০ খ্রিস্টাব্দে পাসকৃত শুধুমাত্র এলোপ্যাথি ও ডেন্টালদের আইন “বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০” (১৪ পাতা)
বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল।
Website : www.bmdc.org.bd ]
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথি রেজি. সনদে ডা. উপাধি লেখা সনদপত্র ও বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক আইন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং ভেটেরিনারি আইনে যারা চিকিৎসক সে আইনের পাতা।
====================================
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী ডা. উপাধি লিখে আসছে ও বাংলাদেশ বাদে প্রায় সকল দেশে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল আছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের পেশার আইনগত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটেও ডা. উপাধি লেখা আছে।
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথরা অবগত ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পাকিস্থান Unani, Ayurvedic and Homoeopathic Practitioners Act 1965 Pakistan ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে বহাল ছিল। তারপর বাংলাদেশে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে Unani, Ayurvedic and Homoeopathic Practitioners Act 1965 Pakistan বিলুপ্ত করে নতুন প্রণয়নকৃত Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983 (Ordi.No.XLI of 1983) পাস ও কার্যকর হয়। তারপর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983 পূর্ণরায় কার্যকর করতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাস হয় শিরোনাম : “১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর করণ (বিশেষ বিধান) আইন,২০১৩” (২০১৩ সনের ৭ নং আইন )।
প্রজ্ঞাপন ১৯৯৮ এর সংশোধিত গেজেট আইন নম্বর ২০৭ (Ministry of Health and Family Welfare, Goverment of Bangladesh).
বাংলাদেশে ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দ হতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ আইনগতভাবে ডা. উপাধি ব্যবহার করে আসছে [পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে পাসকৃত আইন দ্যা ইউনানী, আয়ুর্বেদিক এন্ড হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স এ্যাক্ট- ১৯৬৫, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এর ৩৩, বাংলাদেশে সামরিক সরকার কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী ও সপ্তম সংশোধনী তা বাতিল করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের দেয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে গণতান্ত্রিক সরকারের সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাসকৃত শিরোনাম : “১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর করণ (বিশেষ বিধান) আইন,২০১৩” (২০১৩ সনের ৭ নং আইন ) ২০১৩ সালের ৭নং আইন ২৮ তফসিল বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এর ৩৩, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ২ এর সংজ্ঞা-১২, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন-২০১৯ এর ২৩/২, বিধিবিধান সহ সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময় জারিকৃত বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন/অফিস আদেশ/স্মারকপত্রের আলোকে সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রিধারী রেজিস্টার্ড চিকিৎসকগণ ডা. উপাধি লিখে আসছে]।
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল নেই। এজন্য বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩ এর ৩৩, বাংলাদেশে সামরিক সরকার কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী ও সপ্তম সংশোধনী তা বাতিল করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের দেয়া রায় অনুযায়ী পরবর্তীতে গণতান্ত্রিক সরকার কর্তৃক ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ণরায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাসকৃত
“১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর করণ (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১৩” (২০১৩ সনের ৭ নং আইন ), ২০১৩ সালের ৭নং আইন এর ২৮ তফসিলে “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩”) আইনে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি বিষয়ক একমাত্র সংবিধিবদ্ধ, সংবিধানিক, স্বশাসিত, রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও হোমিওপ্যাথি বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে ক্ষমতা প্রদান করে জাতীয় সংসদ আইন পাস করেছিল, যখন বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা হবে তখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদেরকে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান করবে।
বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর হোমিওপ্যাথি বিষয়ক চিকিৎসা ও চিকিৎসা শিক্ষা এবং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ সংবিধিবদ্ধ, স্বশাসিত, সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এবং চালু হয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা কোর্স। বর্তমান সরকারের প্রশাসনে উচ্চ পর্যায়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি পাস রয়েছে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ ডা. উপাধি লেখার সপক্ষে সরকারি আইন, নথি/ডকুমেন্ট ও লিংক সমূহ :
====================================
(১) বাংলাদেশ ও বর্হিবিশ্বে ডা. উপাধি লেখা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র সমূহ (সংগৃহীত)। (৩৬টি)।
(২) Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983 (Ordi.No.XLI of 1983) পাস ও কার্যকর হয়। তারপর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983 পূর্ণরায় কার্যকর করতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাস হয় শিরোনাম : “১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর করণ (বিশেষ বিধান) আইন,২০১৩” (২০১৩ সনের ৭ নং আইন )।
[২০১৩ সনের ৭ নং আইন ২৮ তফসিল : “Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983”]
(৭ পাতা)।
ডাউনলোড লিংক :
(৩) Bangladesh Homoeopathic Practitioner’s Ordinance, 1983 এর ৩৩ ধারা অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিগণ “Physician”= ডাক্তার/ডা.। (ইংরেজি ২১ পাতা অধ্যাদেশ এর ১৪ নং ও ১৫ নং পাতা)
(৪) বাংলাদেশে সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি ডিএইচএমএস পাসকৃতদের ডা. হিসাবে চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র ছক ফরম এর প্রজ্ঞাপন।
Bangladesh Homoeopathic Practitioners Ordinance, 1983 আইন অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারিকৃত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৮ এর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন গেজেট আইন নম্বর ২০৭। (গেজেট ৭ পাতা), “ডাঃ” উপাধি লেখা= গেজেট পাতা নং ৮৫৬২।
(২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয় সংসদে পাসকৃত ২০১৩ সনের ৭নং আইন ২৮ তফসিল বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ যখাযথভাবে উল্লেখ করে হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস পাসদের জন্য আরেকটি গেজেট প্রজ্ঞাপন সরকার করা দরকার। হোমিওপ্যাথিক অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল না থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া আছে)।
(৫) জাতীয় সংসদে পাসকৃত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৬৩ নং আইন) অনুযায়ী সরকার অনুমোদিত হোমিওপ্যাথিক “চিকিৎসক (ডা.)”। গেজেট পাতা নং ১৫০১৭। সংজ্ঞা ২। (১২)।
(৬) জাতীয় সংসদে পাসকৃত বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল ২০১৯ আইন (২০১৯ সনের ১৩ নং আইন) এর ২৩ (২) ধারা অনুযায়ী সরকার অনুমোদিত কোর্সে পাসকৃত ভেটেরিনারিগণ “ডাক্তার (ডা.)” উপাধি ব্যবহার করে আসছে। গেজেট পাতা নং ১৯৬৯৯। ধারা ২৩ (২)।
Website : www.bvc.gov.bd
(তথ্যসূত্র : বিভিন্ন নথি/ডকুমেন্টস, আইন, অধ্যাদেশ, প্রজ্ঞাপন গেজেট, অন্যান্য)
=====================================
লেখক পরিচিতি :
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)
ডিএইচএমএস (রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ)
এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
=====================================
অনুলিপি :
১। মিস মামলা নং ৭০/২০২০, ধারা : বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২, ২৮, ২৯ নং ধারা। বাদী : রাস্ট্র, আসামি : হোমিওপ্যাথিক ডাঃ মোঃ বাবুল হোসেন সিকদার, পিতা-মুত বেলায়েত হোসেন, সাং চন্দ্রপাড়া, থানা- বাউফল, জেলা- পটুয়াখালী। মাননীয় বিচারক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পটুয়াখালী এর আদালতের রায়ের সার্টিফায়েড কপি ও নথিপত্র (৬ পাতা)। (সংগৃহীত)
২। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২, ২৮, ২৯ নং ধারা গেজেট কপি (৪ পাতা)।

শেয়ার করুন .....




© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com