সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শিবগঞ্জে মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের মাঝে কার্ড বিতরণ শিবগঞ্জে নিবাসী বালক-বালিকারা পেল পোশাক-শিক্ষা উপকরণ শিবগঞ্জে সাংবাদিক রকি আর নেই মণিরামপুর ভুমি অফিসে সেবার গতি বেড়েছে শ্যামনগরে এইচ পি এল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ট্রফি ফাইটার্সে জয় বান্ধ্যাত্ব করণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা ভারতের প্রমোদতরী ‘গঙ্গা বিলাস’ সুন্দরবনে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ট্রাক্টর মালিকের জেল শিবগঞ্জে শীতার্ত ৭ হাজার পরিবার পেল কম্বল শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অসহায়-দুঃস্থ শীতার্ত পরিবারের মাঝে ৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলা স্টেডিয়ামে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, ছত্রাজিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী ছবি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আওয়াল গণি জোহা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সমাজসেবক আল-মামুনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে উপজেলাজুড়ে কয়েক ধাপে ২৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু এবারই নয় বরং দীর্ঘদিন থেকেই আমি শিবগঞ্জের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। এমনকি করোনার ভয়াবহ সময়গুলোতে উপজেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছি শিবগঞ্জে বীরমুক্তিযোদ্ধা খাইরুল ইসলাম আর নেই
হোমিওপ্যাথি কোর্স ও ডা. উপাধি নিলেও চেম্বারে এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদ?

হোমিওপ্যাথি কোর্স ও ডা. উপাধি নিলেও চেম্বারে এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদ?

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) :
বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ ভাগ জনগণ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছে। যা বাংলাদেশের বেসরকারি আশা ইউনিভার্সিটি ও বিবিসি (বাংলা) এর যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন ২০১৫ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস কোর্সের সরকার স্বীকৃত ৬৫টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ রয়েছে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিএইচএমএস কোর্সের সরকার স্বীকৃত ২টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড (প্রতিষ্ঠা : ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ) নিজেদের সরকারি ওয়েবসাইট (https://www.homoeopathicboardbd.org) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সংখ্যা, নিবন্ধিত চিকিৎসকদের ছবিসহ তথ্য, রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার সহ এখনও কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ নেয়নি! যা লজ্জাজনক। ফলে মাঠ পর্যায়ে চিকিৎসকগণ অনেক সময় হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন। নিবন্ধিত চিকিৎসকদের তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে থাকলে কম্পিউটার, ট্যাব, ল্যাবটব, সাধারণ যে কোন এনড্রোয়েট মোবাইল হতে পাসকৃত ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী নিবন্ধিত চিকিৎসক শনাক্ত করা যায়, তেমনি ভুয়া চিকিৎসক খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। রোগীরা প্রতারিত হতে রক্ষা পেত ও মাঠ পর্যায়ে ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী পাসকৃত সঠিক নিবন্ধিত চিকিৎসকগণকে চিহ্নিত করাসহ সামাজিক মর্যাদা সাধারণ জনগণের নিকট, রোগীদের নিকট, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের নিকট, পরিবার, আত্নীয়-স্বজনের নিকট অনেকাংশে বৃদ্ধি পেত। চিকিৎসকদের সংখ্যা, নিবন্ধিত চিকিৎসকদের ছবিসহ তথ্য, বিভাগ, রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার অন্তর্ভুক্ত থাকলে দেশ-বিদেশে যে কেউ ভিজিট করতে পারতো।
চিকিৎসকদের পাসের সনদপত্র, চিকিৎসক পেশার রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র সহ অন্যান্য খাত হতে বোর্ড তথা সরকারের লাখ-লাখ তথা কোটি কোটি টাকা বাবদ আয় বোর্ডের কোন খাতে যায়? ভালো কাজে না লুটপাট কাজে না ভুয়া খরচ বাবদ ভাউচার বাবদ কাজে? যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ওয়েবসাইটে ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস পাস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সংখ্যা, নিবন্ধিত চিকিৎসকদের ছবিসহ তথ্য, রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার সমূহ অন্তর্ভুক্ত করতে কোন কাজই যদি করতে না পারে তা হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর এধরনের রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন আছে কিনা দেশবাসীকে নতুন করে ভাবতে হবে ও বিভিন্ন ফি বাবদ টাকা নিতে পারে কিনা?
সমগ্র দেশব্যাপি বেশ কিছু ব্যক্তি কৌশলে হোমিওপ্যাথি ডিপ্লোমা কোর্স করেছে শুধুমাত্র ডা. উপাধি লেখার ও ব্যবহার করতে এবং হোমিওপ্যাথি অবমূল্যায়ন করে পেশা হিসাবে চেম্বারে ও প্যাডে (ব্যবস্থাপত্রে) মিশ্রপ্যাথি/অন্যপ্যাথি (এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক…)? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশব্যাপি হোমিওপ্যাথির অবমূল্যায়ন এর নমুনা অপপ্রয়োগকারিদের ব্যবস্থাপত্র, লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, প্যানা প্রকাশ পাচ্ছে। এধরনের সহ সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া চিকিৎসকও আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এর নিজেদের ওয়েবসাইটে ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস পাস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সংখ্যা, নিবন্ধিত চিকিৎসকদের ছবিসহ তথ্য, রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার সমূহ অন্তর্ভুক্ত করলে সব অবমূল্যায়ন ও ভুয়াদের কার্যকলাপ অনেকাংশে বন্ধ হবে। মাঠ প্রশাসন অভিযান চালাতে পারবে। সঠিক ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস পাসকৃত ডিগ্রিধারী নিবন্ধিত চিকিৎসকগণের মর্যাদা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। অবমূল্যায়নকারি ও ভুয়াদের দাপটে সঠিক ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস পাসকৃত ডিগ্রিধারী নিবন্ধিত চিকিৎসকগণের মর্যাদা অনেকাংশে ক্ষুন্ন হচ্ছে ও কোণঠাসা অবস্থা বিরাজ করছে।
পেশার অবমূল্যায়নকারি ও ভুয়াদের চিহ্নিত করা, হোমিওপ্যাথির মর্যাদা রক্ষায় দায়িদের সনদপত্র ও রেজিষ্ট্রেশন বাতিল, দায়িদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নিতে সরকার বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) আইনটি দ্রুত যথাযথভাবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে উল্থাপন ও পাস করা এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল (বি.এইচ.এম.সি) গঠন করা দরকার।
দেখুন কিছু ব্যক্তি কৌশলে হোমিওপ্যাথি ডিপ্লোমা কোর্স করেছে শুধুমাত্র ডা. উপাধি লেখার ও ব্যবহার করতে এবং হোমিওপ্যাথি অপব্যবজার, অবমূল্যায়ন, মর্যাদা ক্ষুন্ন করে পেশা করছে মিশ্র প্যাথি/অন্যপ্যাথি! হোমিওপ্যাথির মর্যাদা রক্ষায় সনদপত্র ও রেজিষ্ট্রেশন বাতিল, কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নিতে সরকার দ্রুত হোমিওপ্যাথি আইন পাস ও হোমিওপ্যাথি কাউন্সিল করা। সমগ্র দেশব্যাপি বেশ কিছু ব্যক্তি হোমিওপ্যাথি ডিপ্লোমা কোর্স করেছে শুধুমাত্র ডা. উপাধি লেখার ও ব্যবহার করতে এবং হোমিওপ্যাথি অবমূল্যায়ন করে পেশা করছে মিশ্র প্যাথি/অন্যপ্যাথি (এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক…)? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশব্যাপি হোমিওপ্যাথির অপব্যবহার/অবমূল্যায়ন এর নমুনা অপপ্রয়োগকারিদের প্যাড/ব্যবস্থাপত্র, লিফলেট, ভিজিটিং কার্ড, প্যানা প্রকাশ পাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভুয়া এমবিবিএস (এএম) ডাক্তার ও অ্যালোপ্যাথিক ম্যাটস্ ডিপ্লোমা কোর্স কৃতদের পরবর্তী খায়েশ নামের পূর্বে ডাক্তার উপাধি লেখার জন্য হোমিওপ্যাথিক ডিপ্লোমা কোর্স করেছে। এদের কেউ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিস করে না। তারা হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি ও হোমিওপ্যাথদের ডা. উপাধি প্যাডে ব্যবহার করে চেম্বারে অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ লিখে অ্যালোপ্যাথি প্র্যাকটিস করছে বা ডেন্টাল প্র্যাকটিস করে আসছে বা ক্লিনিকে বা বেসরকারি হাসপাতালে বসে রোগীদের আলট্রাস্নোগ্রাফি করে আসছে। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃপক্ষ কি এমনিতেই এদের বিরুদ্ধে ক্ষেপেছে? সার্বিকভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মর্যাদা ও সম্মানের ক্ষতি হচ্ছে।
হোমিওপ্যাথিদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি কোর্স করলে ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পেশার রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র নিয়ে চেম্বার দিলে, প্যাডে, ভিজিটিং কার্ডে, সাইনবোর্ডে, প্যানাতে হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি ও হোমিওপ্যাথি রেজিষ্ট্রেশন নম্বর, হোমিওপ্যাথদের ডা. উপাধি লিখলে তাকে শুধু হোমিওপ্যাথি পেশা বেছে নিতে হবে এবং প্যাডে (ব্যবস্থাপত্র) শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি ঔষধ লিখতে হবে।
চেম্বারে ও প্যাডে (ব্যবস্থাপত্র) মিশ্র প্যাথি/অন্যপ্যাথি (এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক…) লেখা বা প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যাবেনা। কারো যদি হোমিওপ্যাথির পাশাপাশি অন্য প্যাথির ডিগ্রি থাকে তাহলে সে প্যাথির জন্য একত্রে নয় আলাদা স্থানে আলাদা ভাবে চেম্বার, প্যাড, ভিজিটিং কার্ড, প্যানা, আলাদা সময়সূচি উল্লেখ করে করতে পারে। তবে সেখানে কোন ভাবে হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি, হোমিওপ্যাথিদের ডা. উপাধি লেখা, ব্যবহার, প্যাডে (ব্যবস্থাপত্রে) হোমিওপ্যাথি ঔষধ লেখা, সে চেম্বারে হোমিওপ্যাথি ঔষধ রাখা যাবেনা। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) কার্যকর হলে হোমিওপ্যাথি ডিএইচএমএস/বিএইচএমএস কোর্সকৃত ব্যক্তি হোমিওপ্যাথি পেশার জন্য চিকিৎসক রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র নিতে চাইলে ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পেশা করলে তাকে শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি করতে হবে। প্যাডে হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি, হোমিওপ্যাথি রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লেখতে হবে, প্যাডে শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি ঔষধ লিখতে হবে, চেম্বারে শুধু হোমিওপ্যাথি ঔষধ রাখতে হবে, ভিজিটিং কার্ড ও সাইনবোর্ড এবং প্যানাতে হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি লিখতে হবে। অন্য প্যাথির ডিগ্রি নয় বা মিশ্র প্যাথি বা অন্য প্যাথির নাম উল্লেখ করা যাবেনা।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেশা গ্রহনে হোমিওপ্যাথি পেশার রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র নিতে চাইলে সে ব্যক্তির মিশ্র প্যাথি/অন্য প্যাথির জন্য (এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক…) চিকিৎসক পেশার রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র থাকলে তা সে ব্যক্তিকে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলে জমা/স্যারেন্ডার/সমর্পণ করতে হবে। তারপর যথাযথভাবে হোমিওপ্যাথি কাগজপত্রসহ আবেদন করলে তারপর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পেশার রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান করবে।
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলে হলে থাকবে হোমিওপ্যাথি নিবন্ধিত চিকিৎসকদের জন্য নিজস্ব কম্পিউটার ডাটাবেজ (তথ্যভান্ডার) প্রম্তাবিত হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলের অধিনে থাকবে হোমিওপ্যাথদের নিয়ন্ত্রণ, অনিয়ম, ভুয়া ডাক্তার ও ভুয়া প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে ঢাকাসহ দেশব্যাপি বা দেশের যে কোন স্থানে অভিযান চালাতে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলে নিয়োগকৃত নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারিক ক্ষমতা থাকবে এবং জেল-জরিমানা ক্ষমতা।
(তথ্যসূত্র/নথি ও মতামত)
লেখক পরিচিতি :
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)
ডিএইচএমএস (রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ)
এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ।
১৬ জুলাই ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
=====================================
অনুলিপি : সামাজিক মাধ্যম হতে সংগৃহীত বাংলাদেশ ব্যাপি বেশ কিছু ব্যক্তি কৌশলে হোমিওপ্যাথি কোর্স ও ডা. উপাধি নিলেও হোমিওপ্যাথির অমর্যাদা/অবমূল্যায়ন করে চেম্বারে/প্যাডে এলোপ্যাথি, ডেন্টাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদ চিকিৎসা/লেখা।

শেয়ার করুন .....


শিবগঞ্জে শীতার্ত ৭ হাজার পরিবার পেল কম্বল শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অসহায়-দুঃস্থ শীতার্ত পরিবারের মাঝে ৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলা স্টেডিয়ামে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, ছত্রাজিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী ছবি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আওয়াল গণি জোহা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সমাজসেবক আল-মামুনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে উপজেলাজুড়ে কয়েক ধাপে ২৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু এবারই নয় বরং দীর্ঘদিন থেকেই আমি শিবগঞ্জের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। এমনকি করোনার ভয়াবহ সময়গুলোতে উপজেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছি



© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com