রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
শিবগঞ্জে সাংবাদিক রকি আর নেই মণিরামপুর ভুমি অফিসে সেবার গতি বেড়েছে শ্যামনগরে এইচ পি এল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ট্রফি ফাইটার্সে জয় বান্ধ্যাত্ব করণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা ভারতের প্রমোদতরী ‘গঙ্গা বিলাস’ সুন্দরবনে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ট্রাক্টর মালিকের জেল শিবগঞ্জে শীতার্ত ৭ হাজার পরিবার পেল কম্বল শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অসহায়-দুঃস্থ শীতার্ত পরিবারের মাঝে ৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলা স্টেডিয়ামে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, ছত্রাজিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী ছবি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আওয়াল গণি জোহা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সমাজসেবক আল-মামুনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে উপজেলাজুড়ে কয়েক ধাপে ২৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু এবারই নয় বরং দীর্ঘদিন থেকেই আমি শিবগঞ্জের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। এমনকি করোনার ভয়াবহ সময়গুলোতে উপজেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছি শিবগঞ্জে বীরমুক্তিযোদ্ধা খাইরুল ইসলাম আর নেই শিবগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শিবগঞ্জের শাহাবাজপুরে উন্মুক্ত প্রতিবন্ধী ভাতা যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত
হাইকোর্ট রায়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিল আলাদা মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিল গঠন হচ্ছে না কেন ? 

হাইকোর্ট রায়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিল আলাদা মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিল গঠন হচ্ছে না কেন ? 

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) :
বাংলাদেশ সরকারকে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রুল খারিজকৃত নিষ্পত্তিকৃত রীট নং ৫৩৫/২০১৯ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ রায়ে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুবের্দিকের সার্বিক উন্নয়নে ভারতের মত আলাদা মন্ত্রণালয় আয়ুশ মন্ত্রণালয়ের মত বাংলাদেশে আলাদা একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করতে সরকারকে পরামর্শ দেয়। হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুর্বেদিকের জন্য আলাদা আলাদা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশ সরকার কেন (হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক) আলাদা একটি মন্ত্রণালয় ও আলাদা আলাদা মেডিকেল কাউন্সিল গঠনের প্রয়োজনীয়তা বুঝেনি? কি উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেয়নি? চক্রান্ত কেন? সমগ্র ভারত (কেন্দ্রীয় ও সকল প্রদেশে) হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল গুলোর সিদ্ধান্তে চিকিৎসক রেজিষ্ট্রেশন সনদে ডা. উপাধি লেখা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ ডা. উপাধি ব্যবহার করে আসছে। পাকিস্তানেও কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে ডা. উপাধি লেখা। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা হাইকোর্টে রীট করেও তা সরকারকে বাস্তবায়নে পূর্ণরায় নির্দেশ নিতে পারবে। আলাদা মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিল গুলো অনেক ভাল ভাল সিদ্ধান্ত ও সমাধান এবং কাজ করতে পারবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতিকে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশে বিবিসি (বাংলা) ও আশা ইউনিভার্সিটি যৌথ হবেষণা প্রতিবেদন-২০১৫ অনুযায়ী জানা যায় বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ ভাগ জনগণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে আসছে।
২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে হতে পড়ে থাকা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) যা কখনও মন্ত্রণালয়ে ও কখনও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডে বার বার সংশোধনের বাহানায় পড়ে থাকা আইন যদি অনেক আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর স্বায়ত্তশাসিত ও রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড জাতীয় সংসদে পাস করার জন্য কাজ করতো তাহলে আজ এ পরিস্থিতির শিকার হতোনা। হোমিওপ্যাথির অনেক উন্নয়ন হতো। হোমিওপ্যাথিক ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান নির্ধারণ, ডিএইচএমএস পাসদের উচ্চ শিক্ষার কনডেন্সড কোর্স চালু করা ও তা দেশের একাধিক হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে চালু করা , বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) পাস করা, হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা, জেলা ও উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি ডাক্তার নিয়োগ করা, জাতীয়ভাবে হোমিওপ্যাথিক গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করা, কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করতে দ্রুত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) পাস করতে জন্য মাঠ পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক’রা হাইকোর্টে রীট করতে চাইলেও বোর্ড না করেছিল, হোমিওপ্যাথি বোর্ডের ভাষ্য ছিল রীট করলে ক্ষতি হবে, রীট করলে কোন ক্ষতি হলে তার সমস্ত দায় রীট পিটিশনকারিকে নিতে হবে। ডিএইচএমএস কোর্সের সমমান ও ডিএইচএমএস পাসকৃতদের জন্য উচ্চ শিক্ষার কনডেন্সড কোর্সের জন্য যথেষ্ট পরিমান দেশ-বিদেশের সরকারি নথি/ডকুমেন্ট হোমিওপ্যাথদের নিকট থাকলেও মাঠ পর্যায়ের হোমিওপ্যাথি পুরাতন কোন সংগঠন রীট করতে এগিয়ে আসেনি। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ শিল্প মালিকগণও রীট করতে এগিয়ে আসেনি, মাঠ পর্যায়ে এককভাবে কোন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকও রীটে আর্থিক ব্যয় হবে এজন্য এগিয়ে আসতে পারেনি। কারণ এধরনের রীট কোন ব্যক্তিগত রীট পিটিশন নয়। উচ্চ আদালত অনেক ব্যয় হতে পারে তা ভেবে কেউ এগিয়ে আসেনি। মাঠ পর্যায়ে অনেক সাধারণ হোমিওপ্যাথিকরা অনেক পূর্বেই ২০১৬/২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে আশংকা করেছিল হোমিওপ্যাথিকদের নিয়ে অন্য প্যাথির চক্রান্ত চলছে৷ এলোপ্যাথি ও ডেন্টাল চিকিৎসকরা ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন ২০১০ তা ডা. উপাধি অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় সংসদে পাস করে নিয়েছে এবং কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছে। ভেটেরিনারি চিকিৎসক’রা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন ২০১৯ তা ডা. উপাধি অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় সংসদে পাস করে নিয়েছে ও কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছে।
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর ওয়েবসাইট হতে সংগৃহীত হাইকোর্টের রায়ের কপি। রীট পিটিশন নং ৫৩৫/২০১৯
জানা যায় হোমিওপ্যাথি বিরোধি অবৈধ ডিগ্রি এমবিবিএস (এএম) এর ৯৬ জনের হাইকোর্টে অতিগোপনে রীট করে ও তাদের রীটে খারিজকৃত নিষ্পত্তিকৃত যা রীট পিটিশন নং ৫৩৫/২০১৯ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথিদের ডা. উপাধি (ওয়েবসাইটে রায় প্রকাশ ১৪ আগস্ট ২০২১)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হোমিওপ্যাথির জন্য কোন কাজ করেনি বরং নিরব থেকেছে! অবৈধ ডিগ্রি এমবিবিএস (এএম) দের রীট খারিজ রায়ে হাইকোর্ট যে বিশ্লেষণ দিয়েছে যে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণকে তাদের নামের পূর্বে পদবী হিসেবে ডাক্তার ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করাও বেআইনি। পাশের দেশ ভারতেও বিকল্প ধারার চিকিৎসকরা ডা. লিখতে পারেনা। হোমিওপ্যাথিকদের ডা. উপাধি বিষয়ে সেটা সুপ্রীম কোর্টে আপীল বিভাগে হোমিওপ্যাথিকদের আপীলে যথাযথভাবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান সহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথিরা আইনগতভাবে ডা. উপাধি ব্যবহার করছে তা সঠিকভাবে নথি/ডকুমেন্ট উপস্থাপন করতে পারবে হোমিওপ্যাথিকগণ। কিন্তু রায়ের শেষ পাতায় পর্যবেক্ষণে সরকারকে ভারতের মত আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে। যা নিয়েতো কেউ আপীল করেনি। তাহলে সেটা সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড বাস্তবায়ন করছেনা কেন? সুপ্রীম কোর্টে আপীল বিভাগে হোমিওপ্যাথিরা আপীল করেছে হোমিওপ্যাথিদের ডা. উপাধি নিয়ে, আদালত আপীল গ্রহণ করেছে, স্বাভাবিক ভাবেই আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হোমিওপ্যাথিকদেরকে হয়রানি করা যাবেনা। উদাহরণ হিসাবে : সাধারণত কোন ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ফাঁসির আদেশ দেয়, সে ব্যক্তি যদি আপীল করে তাহলে কি আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেই ব্যক্তিতে ফাঁসি দেওয়া যাবে? তা যাবেনা। চুড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসি দেওয়া যাবেনা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর হোমিওপ্যাথি বিষয়ক একমাত্র স্বায়ত্তশাসিত ও রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে বিবাদী না করে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল তা নিস্পক্তি হবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে। তার আগে সরকার ও সরকারের অতি উৎসাহী মাঠ প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা হোমিওপ্যাথিকদের ডা. উপাধি নিয়ে কোন হয়রানি করলে তা আদালত অবমাননাকর হবে, সে অপরাধে আদালতের কাঠগড়ায় তাকে দাঁড়ানো লাগতে পারে। হাইকোর্ট রায়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিল আলাদা মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিল, তা কেন হচ্ছেনা? তা সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সহ সরকারের অন্যান্য দপ্তর কেন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা? গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এবিষয়ে সরকার ও সরকারের দপ্তর গুলোর ব্যর্থতা ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ বা আদেশ নিতে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবে।
[বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটানসহ বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী ডা. উপাধি লিখে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দ হতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ আইনগতভাবে ডা. উপাধি ব্যবহার করে আসছে। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে পাসকৃত আইন দ্যা ইউনানী, আয়ুর্বেদিক এন্ড হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স এ্যাক্ট- ১৯৬৫, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এর ৩৩, বাংলাদেশে সামরিক সরকার কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী ও সপ্তম সংশোধনী তা বাতিল করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের দেয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে গণতান্ত্রিক সরকারের সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাসকৃত শিরোনাম : “১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর করণ (বিশেষ বিধান) আইন,২০১৩” (২০১৩ সনের ৭ নং আইন ) ২০১৩ সালের ৭নং আইন ২৮ তফসিল বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এর ৩৩, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ২ এর সংজ্ঞা-১২, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন-২০১৯ এর ২৩/২, বাংলাদেশে সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি ডিএইচএমএস পাসকৃতদের ডা. হিসাবে চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র ছক প্রজ্ঞাপন যা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৮ এর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন গেজেট আইন নম্বর ২০৭।
বিধিবিধান সহ সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময় জারিকৃত বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন/অফিস আদেশ/স্মারকপত্রের আলোকে সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রিধারী রেজিস্টার্ড চিকিৎসকগণ ডা. উপাধি লিখে আসছে। বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল নেই। “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩”) আইন (যা জাতীয় সংসদে ২০১৩ পাসকৃত ২০১৩ সনের ৭ নং এর ২৮ নং তফশিল আইন) বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি বিষয়ক একমাত্র সংবিধিবদ্ধ, সংবিধানিক, স্বশাসিত, রেগুলেটরি/নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও হোমিওপ্যাথি বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে ক্ষমতা প্রদান করে জাতীয় সংসদ আইন পাস করেছিল, যখন বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা হবে তখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদেরকে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান করবে]।
জেলা পর্যায়ের (পটুয়াখালী) আদালতে তথা নিম্ন আদালতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নামে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন ২০১০ আইনের ২২, ২৮, ২৮ ধারায় অভিযোগে রাস্ট্র পক্ষের মামলা ও হয়রানি এবং আদালতে রায় প্রকাশিত হওয়া তথা হোমিওপ্যাথিরা জয়ী হলেও তা উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী উচ্চ আদালত বলতে সর্বোচ্চ আদালত হলো বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের যে আপীল তা দ্রুত শুনানি ও রায় গ্রহণ ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। উচ্চ আদালত তথা সুপ্রীম কোর্টে হোমিওপ্যাথিদের আপীলে নিম্ন আদালতের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার জয়ী হওয়া রায়ের সার্টিফায়েড কপি জমা দেওয়া ও হোমিওপ্যাথিকদের ডা. উপাধি লেখা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ বর্হিবিশ্বের নথি/ডকুমেন্টস সমূহ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে যথাযথভাবে জমা দেওয়া তথা উপস্থাপন করা এবং বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির সার্বিক উন্নয়নে দ্রুত জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) পাস করা ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল গঠন করা দরকার।
(তথ্যসূত্র : নথি/ডকুমেন্টস, আইন, প্রজ্ঞাপন, বিধিমালা, অফিস আদেশ, অন্যান্য সমূহ)
(মতামত)
=====================================
লেখক পরিচিতি :
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)
ডিএইচএমএস (রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ)
এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
 

শেয়ার করুন .....


শিবগঞ্জে শীতার্ত ৭ হাজার পরিবার পেল কম্বল শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় অসহায়-দুঃস্থ শীতার্ত পরিবারের মাঝে ৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলা স্টেডিয়ামে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেনÑ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, ছত্রাজিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী ছবি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আওয়াল গণি জোহা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সমাজসেবক আল-মামুনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে উপজেলাজুড়ে কয়েক ধাপে ২৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু এবারই নয় বরং দীর্ঘদিন থেকেই আমি শিবগঞ্জের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। এমনকি করোনার ভয়াবহ সময়গুলোতে উপজেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছি



© 2018 allnewsagency.com      তত্ত্বাবধানে - মোহা: মনিকুল মশিহুর সজীব
Design & Developed BY ThemesBazar.Com