বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি। তারা হাতে হাতে কাজ পাওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। যুবক-যুবতীদেরকে কাছে ওয়াদা করছি, তোমাদের হাতে অপমানের ওই বেকার ভাতা আমরা তুলে দেব না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন প্রতিশ্রুতি দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তোমাদের হাতগুলোকে দক্ষ বানিয়ে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তোমাদের হাতে আমরা তুলে দেব। সেদিন তোমরা এই দেশ গড়বা, তৈরি হয়ে যাও। তোমাদের জন্য সেই পরিবেশ তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশ নামের যে উড়োজাহাজ, সেই উড়োজাহাজের ককপিটে বসবে যুবকেরা, আমরা গিয়ে বসবো পিছনের প্যাসেঞ্জার সিটে। দেশকে তরুণরা রকেট গতিতে চালিয়ে সামনের দিকে নিয়ে যাবে। পিছনে তাকানোর আমাদের আর সময় নাই। সকল জাতি, ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, সব মানুষকে বুকে ধারণ করে আমাদের এই যাত্রা শুরু, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, মা বোনদের ক্ষেত্রে আমাদের স্পষ্ট অঙ্গীকার। আমরা দুটি জিনিস আপনাদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই। একটি হচ্ছে, সমাজের সব স্তরে আপনাদের অধিকার ও মর্যাদা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, আপনাদের নিরাপত্তা। আজকে এই দুটিরই অভাব।
জামায়াতের আমির বলেন, আমরা এমন একটা সমাজ গড়তে চাই, যেখানে পুরুষরা পাবে পুরুষের অধিকার, নারীরা পাবে নারীর অধিকার। কোনো জালেম মা, বোন, মেয়ে কারো দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস করবে না। নারীদের জন্য সেই নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে সর্বত্র ইনশাআল্লাহ।
সর্বক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, এখন বাংলাদেশের জনগণ পরিবর্তন চায়। জুলাই যুদ্ধের সময় জনগণ রাস্তায় নেমে বলেছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস।’ জনগণ সবক্ষেত্রে ন্যায়বিচার চায়। এর মানে হলো, দেশে ন্যায়বিচার নাই। সেই ন্যায়বিচার আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সবার জন্য সমান আইন ও বিচার আমরা বাংলাদেশে কায়েম করতে চাই।
জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও ডাকসুর জিএস এম.এম ফরহাদসহ অন্যরা।
ডেস্ক/এমএস